জাতীয় চিড়িয়াখানায় নতুন অতিথি: আফ্রিকা থেকে এল ইল্যান্ড ও ওয়াইল্ডিবিস্ট

প্রাণিবৈচিত্র্য বৃদ্ধি এবং দর্শনার্থীদের জন্য নতুন বিনোদনের ক্ষেত্র উন্মোচনের লক্ষ্য নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আনা চারটি বন্যপ্রাণী বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানায় অবমুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একটি পুরুষ ও একটি স্ত্রী কমন ইল্যান্ড এবং দুটি পুরুষ ওয়াইল্ডিবিস্ট উন্মুক্ত পরিবেশে অবমুক্ত করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দেশের চিড়িয়াখানাগুলোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। প্রাণী সংরক্ষণ, গবেষণা, শিক্ষা ও বিনোদনের মেলবন্ধনে বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানাকে একটি অত্যাধুনিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। নতুন প্রাণীর এই সংযোজন সেই বৃহত্তর পরিকল্পনারই একটি ইতিবাচক ধাপ।

নতুন এই প্রাণীদের আগমনে দর্শনার্থীরা একদিকে যেমন প্রাণিজগতের বৈচিত্র্য সম্পর্কে নতুন অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবেন, অন্যদিকে দেশের প্রাণিবৈচিত্র্য সংরক্ষণ কার্যক্রমও সমৃদ্ধ হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। প্রতিমন্ত্রী চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষকে পরিবেশ আরও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও দর্শনার্থীবান্ধব করে তোলার তাগিদ দেন, যাতে এই প্রতিষ্ঠানটি সর্বসাধারণের কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।

উল্লেখ্য যে, কমন ইল্যান্ড আফ্রিকার বৃহত্তম প্রজাতির অ্যান্টিলোপগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং ওয়াইল্ডিবিস্ট আফ্রিকার তৃণভূমির অতি পরিচিত ও আকর্ষণীয় বন্যপ্রাণী। এসব প্রাণীর অন্তর্ভুক্তি জাতীয় চিড়িয়াখানার প্রাণী সংগ্রহকে যেমন সমৃদ্ধ করবে, তেমনি তা দর্শনার্থীদের জন্য নতুন এক বিস্ময়ের ক্ষেত্র তৈরি করবে।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: শাহজামান খান, পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোঃ বয়জার রহমান, জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার, পরিচালক (উৎপাদন) ডা. মোঃ মাহফুজার রহমান ও প্রকল্প পরিচালক ডা. আব্দুর রহিমসহ চিড়িয়াখানার কিউরেটর ডা: মো: হাবিবুর রহমান এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

0%
0%
0%
0%