AdvertisementAdvertisement

সামনে কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুতির তাগিদ

দেশ এক অত্যন্ত সংকটময় ও সন্ধিক্ষণের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ বা অসতর্কতা দেশের অপূরণীয় ক্ষতি ডেকে আনবে। এটি কেবল কোনো একক ব্যক্তির বিপর্যয় নয়, বরং বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক গভীর সংকটের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

রোববার রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এই সভায় দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোকপাত করেন তিনি।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শহীদ জিয়ার কর্মময় জীবনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত এবং ভঙ্গুর অর্থনীতির দেশ পেয়েও তিনি নিজ মেধা, সততা ও সুশৃঙ্খল কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে স্বল্প সময়ে আমূল পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছিলেন। বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে দেশের অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বিচার ব্যবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। গত ১২ তারিখের নির্বাচনে জনগণ দীর্ঘদিনের এই অপশাসনের বিপরীতে রায় দিয়ে বর্তমান সরকারকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, ১৩ ফেব্রুয়ারি দেশবাসীর অভূতপূর্ব সমর্থনে যে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জিত হয়েছে, তা এখন আর কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সম্পদ নয়। ৫২ শতাংশ মানুষের প্রত্যাশা ও পরিকল্পনায় পরিণত হওয়া এই ইশতেহার বাস্তবায়ন করা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব। দেশের প্রতিটি স্তরের নেতাকর্মীদের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে মাঠে সক্রিয় থাকার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সরকারের প্রতিটি উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলেই কেবল কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন সম্ভব।

স্মরণসভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে শহীদ জিয়াউর রহমানের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

0%
0%
0%
0%