তিলোত্তমা খুনের রহস্যভেদে তমসার হাতে গুরুত্বপূর্ণ পেনড্রাইভ ও প্রতাপের মুখোশ উন্মোচনের পথে

স্টার জলসার পর্দায় সাম্প্রতিক সংযোজন ‘তিলোত্তমা’ যেন রীতিমতো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বাস্তব জীবনের আরজি কর কাণ্ডের ছায়া অবলম্বনে নির্মিত এই ধারাবাহিকে নাম ভূমিকায় অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুস্মিতা দে। তার বিপরীতে খলনায়কের অশুভ ছায়ায় দেখা মিলছে অভিনেতা জয়জিৎ বন্দোপাধ্যায়ের। গল্প ও অভিনয়ের নিপুণ বুননে শুরুর দিন থেকেই ধারাবাহিকটি দর্শকদের মনে গভীর দাগ কাটতে সক্ষম হয়েছে।
গল্পের প্রেক্ষাপট গড়ে উঠেছে তিলোত্তমার নৃশংস মৃত্যুর প্রতিশোধকে কেন্দ্র করে। অকালপ্রয়াত বোনের মৃত্যুর বিচার চাইতে তার যমজ বোন তমসা ছদ্মবেশে পা রাখে বিয়ের পিঁড়িতে। তবে বিয়ের পর থেকেই আলেখ্য ও তার পুরো পরিবার তমসাকে নিয়ে সন্দেহের দোলাচলে দুলছে। তারা বারবার প্রমাণ করার চেষ্টা করছে যে, তাদের পুত্রবধূ প্রকৃত তিলোত্তমা নয়। কিন্তু সমস্ত চাতুর্য দিয়ে তমসা বারবার পরিবারের চোখের সামনে ধুলো দিতে সক্ষম হচ্ছে।
নাটকীয় মোড় আসে যখন তমসা আলেখ্যর বাবা ও আবিরের কথোপকথন আড়ি পেতে শুনে ফেলে। বোন হত্যার নেপথ্যে থাকা কুশীলবদের সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য তার হাতের মুঠোয় চলে আসে। এদিকে, প্রমাণ লোপাটের জন্য তিলোত্তমার মৃতদেহ পুড়িয়ে ফেলার মতো নিষ্ঠুর ঘটনাও সামনে আসে। তবে সাম্প্রতিক প্রমোতে দেখা যাচ্ছে, নিজের লক্ষ্য পূরণে মরিয়া তমসা এবার সরাসরি হাসপাতালের গণ্ডিতে হানা দেয়।
প্রতাপের চেম্বারে ঢুকে নিজের চুরি যাওয়া সোনার চুড়ি খোঁজার ভান করে তল্লাশি চালাতে গিয়ে তমসা উদ্ধার করে বহু প্রতীক্ষিত একটি পেনড্রাইভ। আর ঠিক সেই মুহূর্তে প্রতাপের আগমন গল্পের টানটান উত্তেজনাকে চরমে পৌঁছে দেয়। পর্দার আড়ালে লুকিয়ে থাকা প্রভাবশালী ডাক্তার প্রতাপ কি পারবে তমসাকে আটকাতে? নাকি পেনড্রাইভের সেই গোপন তথ্য ফাঁস করে দিয়ে খুনিকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে তমসা? উত্তরের অপেক্ষায় থাকা দর্শকদের জন্য প্রতিটি পর্ব হয়ে উঠছে রহস্যময় ও রোমাঞ্চকর। এই টানটান উত্তেজনার সাক্ষী থাকতে প্রতিদিন সন্ধ্যা ছয়টা ত্রিশ মিনিটে স্টার জলসার পর্দায় চোখ রাখছেন দর্শকরা।
