চতুর্থ বিয়ের পর মা হলেন সুস্মিতা রায়কে সন্তানকে নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী

টালিউডের জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার সুস্মিতা রায়েক ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন আর সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে বরাবরই সংবাদ শিরোনামে থেকেছেন। সম্প্রতি নিজের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সন্তানকে কোলে পাওয়ার পর আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন তিনি। জীবনের কঠিন পথ পাড়ি দিয়ে অবশেষে ব্যবসায়ী শুভাশিস দে-র সঙ্গে ঘর বেঁধেছেন সুস্মিতা। চটজলদি সম্পন্ন হওয়া এই বিয়ের পর নেটপাড়ায় অভিনেত্রীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়া নিয়ে গুঞ্জন ছড়ালেও, যাবতীয় বিতর্ক উড়িয়ে দিয়ে বর্তমানে মাতৃত্বের পরম সুখেই ভাসছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পথে বর শুভাশিসের সঙ্গে কেক কেটে নিজেদের আনন্দ ভাগ করে নিয়েছেন সুস্মিতা। সংবাদমাধ্যমের সামনে নিজের মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুলে অভিনেত্রী জানান, ২০১৯ সালে অকালপ্রয়াত সন্তানটিও ছিল ছেলে, তাই এবার প্রথম থেকেই তিনি পুত্রসন্তান প্রত্যাশা করেছিলেন। সদ্যোজাতকে ভালোবেসে ‘কলির কেষ্ট’ বলে সম্বোধন করে সুস্মিতা জানান, তাঁর স্বামী শুভাশিস কন্যাসন্তান কামনা করলেও, শেষ পর্যন্ত পুত্রসন্তান লাভেই তাদের পরিবার পূর্ণতা পেয়েছে।

সুস্মিতার অতীত জীবনের একাধিক বিয়ে নিয়ে নেটদুনিয়ায় চর্চার অন্ত নেই। এই প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে সুস্মিতা জানিয়েছেন, সমাজের চোখরাঙানি বা কুৎসা তিনি কখনোই গুরুত্ব দেননি। বরং গোপন সম্পর্কের চেয়ে প্রতিটি সম্পর্কে সামাজিক স্বীকৃতি দেওয়াকেই তিনি শ্রেয় মনে করেছেন। অল্প বয়সে প্রথম বিয়ে বিচ্ছেদের পর পরিবারের চাপে দ্বিতীয়বার সংসার বাঁধলেও, সঙ্গীর প্রতারণার কারণে সেই সম্পর্ক টেকেনি। পরবর্তীকালে সাংবাদিক সব্যসাচী চক্রবর্তীর সঙ্গে বিবাহিত জীবনেও তাকে পোহাতে হয়েছে তিক্ত অভিজ্ঞতা।

সব্যসাচী ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে সুস্মিতা অভিযোগের আঙুল তুলেছেন তাঁদের মানসিকতা ও জীবনবোধের দিকে। সুস্মিতার ভাষ্যমতে, সব্যসাচীর সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদের নেপথ্যে ছিল বিকৃত যৌন মানসিকতা এবং বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের তিক্ততা। এমনকি, সেই সময় মাতৃত্বের ক্ষেত্রেও তিনি সব্যসাচী ও তাঁর ভাই সায়ক চক্রবর্তীর পরিবারের বাধার সম্মুখীন হয়েছিলেন বলে দাবি করেন অভিনেত্রী। সব বিতর্ক আর অতীতকে পেছনে ফেলে শুভাশিসের হাত ধরে এক নতুন জীবন শুরু করেছেন সুস্মিতা, যেখানে এখন নতুন অতিথির আগমনই তাঁদের পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দু।

বিজ্ঞাপন
0%
0%
0%
0%