খুচরা পর্যায়ে দশমিক ২ শতাংশ অগ্রিম আয়কর আদায়ের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি ফরেন চেম্বারের

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে খুচরা পর্যায়ে দশমিক ২ শতাংশ হারে অগ্রিম আয়কর আদায়ের যে বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে, তা বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত দুরূহ এবং এটি একটি বড় ধরনের পরিচালনগত চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি বা এফআইসিসিআই আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রস্তাবিত কর প্রত্যাহারের জোরালো দাবি জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত বাজেট পর্যালোচনা শেষে এক প্রতিক্রিয়ায় জানানো হয়, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করতে নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার শিথিলকরণ এবং প্রযুক্তিভিত্তিক সংস্কার অপরিহার্য। সরকারের গৃহীত কৌশলগত ‘থ্রি আর’ ফ্রেমওয়ার্ক তথা রিকভারি, রিস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশনের উদ্যোগ এবং করকাঠামোর পূর্ণাঙ্গ ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়া বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
অর্থ বিল ২০২৬-কে সামগ্রিকভাবে একটি প্রগতিশীল, ইতিবাচক ও ব্যবসাবান্ধব উদ্যোগ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে ফরেন চেম্বার। তাদের ভাষ্যমতে, এই বিল দীর্ঘমেয়াদে দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে। তবে একই সঙ্গে দেশের বর্তমান বিনিয়োগ পরিস্থিতি নিয়ে কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে উদ্বেগও প্রকাশ করেছে সংগঠনটি, যা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন বলে তারা মনে করছে।
