সুদানে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় শহীদ ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মরদেহ দেশে প্রত্যাবর্তন
সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় আহত ৯ জনের মধ্যে ৮ জন নাইরোবিতে চিকিৎসাধীন

সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে সংঘটিত বর্বরোচিত সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় শাহাদাত বরণকারী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ জন শান্তিরক্ষীর মরদেহ আজ দেশে প্রত্যাবর্তন করেছে।
আজ দুপুরে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে শহীদ শান্তিরক্ষীদের মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। বিমানবন্দরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম, বিপি, এসবিপি, ওএসপি, বিএএম, এনডিসি, পিএসসি শহীদদের মরদেহ গ্রহণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন—
চেয়ারম্যান, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ;
বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক প্রতিনিধি;
আবেইতে মোতায়েনরত জাতিসংঘ মিশন ইউনিসফা-এর ফোর্স কমান্ডারের প্রতিনিধি ও চিফ কমিউনিটি লিয়াজো অফিসার;
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডিজি (ইউএন);
পরিচালক, ওভারসিজ অপারেশন পরিদপ্তর, সেনা সদর;
এছাড়াও ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মরদেহ গ্রহণকালে সকলে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। এ সময় সকল সামরিক সদস্য শহীদ শান্তিরক্ষীদের প্রতি সম্মান জানিয়ে সশস্ত্র স্যালুট প্রদান করেন।
আগামীকাল ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ (রোববার) ঢাকা সেনানিবাসস্থ কেন্দ্রীয় মসজিদে শহীদদের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে হেলিকপ্টারযোগে তাদের মরদেহ নিজ নিজ জেলায় প্রেরণ করা হবে এবং যথাযথ সামরিক মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলার ঘটনায় মোট ৬ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী শহীদ হন। এ হামলায় আরও ৯ জন শান্তিরক্ষী আহত হন। আহতদের মধ্যে ৮ জন কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে অবস্থিত আগা খান ইউনিভার্সিটি হাসপাতাল (লেভেল–৩ হাসপাতাল)-এ চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বর্তমানে তারা সবাই শঙ্কামুক্ত বলে জানানো হয়েছে।
