বিচ্ছেদের গুঞ্জনে মুখ খুললেন রণজয় বিষ্ণু, ব্যক্তিগত জীবনে গোপনীয়তা চেয়ে ভক্তদের অনুরোধ

টলিউডের আকাশে যেন হঠাৎই ঘন কালো মেঘ। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসের পবিত্র লগ্নে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন জনপ্রিয় তারকা রণজয় বিষ্ণু ও শ্যামৌপ্তি মুদলি। কিন্তু বিয়ের মাত্র পাঁচ মাসের মাথায় তাঁদের সাজানো সংসারে ভাঙনের সুর স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে বিচ্ছেদের গুঞ্জন। পর্দার এই জনপ্রিয় জুটির ব্যক্তিগত জীবনের এই অস্থিরতা নিয়ে ভক্তমহলে উদ্বেগ আর আলোচনার অন্ত নেই। দীর্ঘ কয়েক দিনের নীরবতা ভেঙে অবশেষে এই ইস্যুতে মুখ খুললেন রণজয়।
নিজের শুটিং সেট থেকে বৃহস্পতিবার একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছেন রণজয়। অভিনেতা অত্যন্ত আক্ষেপের সুরে জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এই ধরনের কাদা-ছোড়াছুড়ি মোটেও কাম্য নয়। রণজয়ের কথায়, তাঁরা একে অপরকে ভালোবেসেই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। বর্তমান পরিস্থিতি তাঁর মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর কতটা প্রভাব ফেলেছে, তাও স্পষ্ট করেছেন তিনি। রণজয়ের মতে, শ্যামৌপ্তিকে নিয়ে যে ধরনের আপত্তিকর মন্তব্য ছড়ানো হচ্ছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এসবের কোনোটিই অভিনেত্রীর প্রাপ্য নয়।
বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভেসে বেড়ানো হাজারো জল্পনা-কল্পনার উত্তর দিতে গিয়ে রণজয় প্রশ্ন তুলেছেন, নিজেদের সম্পর্কের জটিলতা তাঁরা নিজেরাই সমাধান করতে সক্ষম, সেখানে তৃতীয় কোনো পক্ষ বা দর্শকদের কাছে প্রমাণ দেওয়ার দায় তাঁদের কেন থাকবে? করজোড়ে ভক্ত ও সমালোচকদের কাছে অনুরোধ জানিয়ে রণজয় বলেন, ‘আমাদের একটু বাঁচতে দিন, একটু দম নিতে চাই। এত মিথ্যা রটনা আর নেওয়া যাচ্ছে না।’
একই সঙ্গে তাঁর সহ-অভিনেত্রী অভিকা মালাকারের সঙ্গে রণজয়ের সম্পর্কের গুঞ্জন নিয়েও উত্তাল নেটদুনিয়া। তবে রণজয় এই ধরনের রটনাকে সপাটে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর সাফ কথা, এমন ভিত্তিহীন অভিযোগের কোনো প্রমাণ নেই। শেষ পর্যন্ত সম্পর্কের এই টানাপোড়েন কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষায় বিনোদনপ্রেমীরা। তবে অভিনেতা নিজেই জানিয়েছেন, তাঁদের ভালো থাকা বা খারাপ থাকার বিষয়টি একান্তই তাঁদের ব্যক্তিগত, যা তাঁরা নিজেদের মতো করেই সামলে নেবেন।
