AdvertisementAdvertisement

লাল বলের চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত বিস্ময় বালক বৈভব সূর্যবংশী

সাদা বলের ক্রিকেটে অতিমানবীয় পারফরম্যান্সের সুবাদে খ্যাতি কুড়ানো কিশোর ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশী এখন নিজেকে প্রস্তুত করছেন লাল বলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়। জিম্বাবুয়ে সফর শেষে গত এক মাস ধরে নাগপুরের কাছে তালেগাঁওয়ে রাজস্থান রয়্যালস একাডেমিতে কঠোর অনুশীলনে মগ্ন এই তরুণ প্রতিভা। দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটে নিজের দক্ষতা আরও শাণিত করতে বর্তমানে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির নিজস্ব হাই-পারফরম্যান্স সেন্টারে নিবিড় প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন তিনি। ভারতের সাবেক ব্যাটিং কোচ এবং বর্তমানে রাজস্থান রয়্যালসের সহকারী কোচ বিক্রম রাঠোরের তত্ত্বাবধানে সূর্যবংশী তার কৌশলগত ত্রুটিগুলো ঝালিয়ে নিচ্ছেন।

আইপিএলে ব্যাট হাতে ঝড় তুলে বিশ্ব ক্রিকেটের নজর কাড়া ১৫ বছর বয়সী সূর্যবংশীকে মূলত সীমিত ওভারের বিশেষজ্ঞ হিসেবে দেখা হলেও, দীর্ঘ ফরম্যাটের প্রতি তার রয়েছে গভীর অনুরাগ। নিজের সক্ষমতা প্রমাণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এই ক্রিকেটার এবার দুিলীপ ট্রফিতে ইস্ট জোনের হয়ে মাঠে নামার অপেক্ষায় আছেন। সেখানে তিনি দলটির সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করবেন। আগামী ২৩ আগস্ট ব্যাঙ্গালুরুতে শুরু হতে যাওয়া এই মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির ১০ দিনের বিশেষ ক্যাম্পে কঠোর পরিশ্রম করছেন তুশার দেশপান্ডে, সন্দীপ শর্মা, শুভম দুবে, রবি সিং এবং সুশান্ত মিশ্রের মতো খেলোয়াড়রা। টুর্নামেন্টে ওয়েস্ট জোনের জার্সি গায়ে দেখা যাবে তুশার দেশপান্ডেকে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

রাজস্থান রয়্যালসের অত্যাধুনিক এই সেন্টারে খেলোয়াড়দের জন্য রয়েছে আলাদা ঘরানার পিচ, যা ঘরোয়া ক্রিকেটের বিভিন্ন কন্ডিশনের অনুকরণে তৈরি। ক্যাম্পের মূল লক্ষ্য হলো খেলোয়াড়দের শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানো এবং কৌশলগত পরিপক্কতা নিশ্চিত করা। বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিটি ক্রিকেটারের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করা হচ্ছে, যাতে ঘরোয়া মৌসুমের কঠিন চ্যালেঞ্জের জন্য তাদের পূর্ণাঙ্গভাবে প্রস্তুত করা যায়।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

প্রশিক্ষণ পদ্ধতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বিক্রম রাঠোর জানিয়েছেন, মৌসুমের শুরুর এই সময়টা খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত উন্নতির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি খেলোয়াড়ের জন্য আলাদা পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে, যাতে তারা আইপিএলের বাইরেও নিজেদের সেরাটা বজায় রাখতে পারে। ফ্র্যাঞ্চাইজিটির অপারেশনস প্রধান রোমি ভিন্ডার জানান, শুধু আইপিএল নয়, বরং বছরজুড়ে খেলোয়াড়দের সামগ্রিক উন্নতির লক্ষ্যেই এই হাই-পারফরম্যান্স সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। আইপিএলের রোমাঞ্চকর মরসুমের বাইরেও ক্রিকেটারদের দক্ষতাকে বিশ্বমানের করে তোলাই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য।

সম্পর্কিত- ক্রিকেট খবর
0%
0%
0%
0%