AdvertisementAdvertisement

রোহিতের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিসিসিআই ও নির্বাচক কমিটির মধ্যে তীব্র মতভেদ, কোণঠাসা অজিত আগরকর

ভারতীয় একদিনের ক্রিকেট দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মার ভবিষ্যৎ নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে চলা তীব্র জল্পনা ও বিতর্কের মাঝে এবার বিসিসিআইয়ের অন্দরে তৈরি হয়েছে চরম মতবিরোধ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজকে কেন্দ্র করে রোহিতের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সম্ভাব্য ইতি নিয়ে যখন আলোচনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই লর্ডসে তার দুর্দান্ত শতরান সমীকরণ বদলে দিয়েছে। এই ইনিংসের পর নির্বাচক কমিটি ও ক্রিকেট বোর্ডের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে তৈরি হওয়া স্নায়ুযুদ্ধ এখন প্রকাশ্যে আসার উপক্রম হয়েছে।

দৈনিক জাগরণের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকরের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিটি ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় রোহিত শর্মাকে দলে না রাখার পক্ষেই ছিল। কিন্তু বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া প্রকাশ্যে রোহিতের পাশে দাঁড়িয়ে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, যতদিন রোহিত দলের পরিকল্পনায় থাকবেন, তিনি নিয়মিত সদস্য হিসেবেই খেলবেন। সচিবের এই আকস্মিক অবস্থানে নির্বাচন কমিটির সদস্যরা নিজেদের প্রতারিত মনে করছেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের চাপের মুখেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তাদের ধারণা।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

নির্বাচন কমিটির একাংশের মতে, ২০২৭ সালের বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য অর্জনে রোহিত শর্মার উপস্থিতি দলের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠতে পারে। বোর্ডের অন্দরে চলা এই মতপার্থক্য মূলত দলের ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে কর্তাব্যক্তিদের বিপরীতমুখী অবস্থানেরই প্রতিফলন। এমন পরিস্থিতিতে বোর্ডের শীর্ষ নেতৃত্ব এবং নির্বাচকদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ক্রিকেট মহলে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

এদিকে, এই পরিস্থিতির মধ্যেই প্রধান নির্বাচক হিসেবে অজিত আগরকরের অধ্যায় নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। গুঞ্জন রয়েছে যে, বোর্ড খুব শীঘ্রই তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে বেঙ্গালুরুর সেন্টার অব এক্সেলেন্সের প্রধান ভিভিএস লক্ষ্মণকে দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। যদিও আগরকরের চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের জুন মাসে শেষ হওয়ার কথা ছিল এবং তাকে অতিরিক্ত তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছিল, তবুও বর্তমান পরিস্থিতি তার এই মেয়াদকালকে হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। রোহিত শর্মার ভবিষ্যৎ নিয়ে এই জটিল সমীকরণ শেষ পর্যন্ত ভারতীয় ক্রিকেটের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে বড় ধরনের রদবদল ঘটায় কি না, তা নিয়ে এখন চলছে জোর আলোচনা।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস

0%
0%
0%
0%