AdvertisementAdvertisement

ফেনীতে প্রতীকী আদালতে শেখ হাসিনাসহ ছয়জনের ফাঁসির রায় কার্যকর

ফেনী শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে এক প্রতীকী আদালতের মাধ্যমে খুনিদের বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা ছাত্রদলের আয়োজনে এই ব্যতিক্রমী কর্মসূচি পালিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই বিপ্লবের স্মৃতিবিজড়িত আলোকচিত্র প্রদর্শনী আয়োজন করা হয়, যা উপস্থিত জনতাকে তৎকালীন উত্তাল দিনগুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

শহীদ মিনারের বেদিতে আয়োজিত প্রতীকী আদালতে বিচারক, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী, সাক্ষী ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ভূমিকায় অভিনয় করেন অংশগ্রহণকারীরা। আসামির কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, নিজাম উদ্দিন হাজারী, আলাউদ্দিন নাসিম, অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, শুসেন চন্দ্র শীল এবং স্বপন মিয়াজীকে। রাষ্ট্রপক্ষ মহিপালে সংঘটিত গণহত্যার অকাট্য তথ্য ও প্রমাণাদি উপস্থাপনের পর আদালত উল্লিখিত ছয়জনের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পরপরই সেখানে প্রতীকী ফাঁসির কার্যকর করা হয়।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ বাহার বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করে বলেন, পলাতক আসামিরা বিভিন্ন মাধ্যমে দেশে ফেরার হুমকি দিচ্ছে। বিলোনিয়া সীমান্ত দিয়ে তারা প্রবেশের চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তাদের উপযুক্ত অভ্যর্থনা জানাতে প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি হুঙ্কার দেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট মহিপালে নিজাম হাজারী ও তার অনুসারীরা যে নারকীয় হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল, সেই ঘটনার মূল অস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি এবং মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া প্রত্যাশিত গতিতে এগোচ্ছে না।

ফেনীর এই হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার দ্রুত ট্রাইব্যুনালের আওতায় এনে ত্বরান্বিত করার দাবি জানান জেলা বিএনপি নেতারা। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবারের সদস্যরা প্রকৃত দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

Advertisement
বিজ্ঞাপন
0%
0%
0%
0%