মার্ভেল ইউনিভার্সে নতুন উচ্চতায় স্যাডি সিঙ্ক এবং স্পাইডারম্যান ব্র্যান্ড নিউ ডে এর অভাবনীয় সাফল্য

সাত বছর বয়সে শিশুশিল্পী হিসেবে যাত্রা শুরু করে আজ চব্বিশ বছর বয়সে এসে স্যাডি সিঙ্ক নিজেকে দাঁড় করিয়েছেন বিশ্বমঞ্চের এক নির্ভরযোগ্য ও পরিণত অভিনয়শিল্পী হিসেবে। নেটফ্লিক্সের সাড়া জাগানো সিরিজ ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’-এ ‘ম্যাক্স’ চরিত্রটি রূপায়ণের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী যে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা তিনি অর্জন করেছেন, তা তাঁকে শোবিজের নতুন ধারায় যুক্ত করেছে। সম্প্রতি ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ সিনেমায় জিন গ্রে চরিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের মাধ্যমে স্যাডি জানান দিয়েছেন, গণ্ডি পেরিয়ে তিনি এখন বৈচিত্র্যময় সব চরিত্রে নিজেকে মেলে ধরতে প্রস্তুত।
দশ বছর বয়সে মঞ্চাভিনয়ের হাত ধরে নিজের ক্যারিয়ারের ভিত শক্ত করা স্যাডি সিঙ্ক মনে করেন, অভিনয় শুধু তাঁর পেশা নয়, বরং জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর ভাষ্যমতে, ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’-এর দীর্ঘ যাত্রায় সহশিল্পীদের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা তাঁকে আবেগীয় পরিপক্কতা দান করেছে। শুটিং সেটের হাসি-কান্না আর ব্যক্তিগত নানা উত্থান-পতন তাঁকে শিখিয়েছে কীভাবে জীবনের প্রতিটি অধ্যায়কে নতুনভাবে শুরু করতে হয়।
‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ সিনেমায় স্যাডি সিঙ্কের জিন গ্রে চরিত্রটি নিয়ে দর্শকদের মাঝে দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটেছে। এই ছবিতে জিন গ্রে হিসেবে তাঁর বিশেষ ক্ষমতার প্রদর্শনী যেমন রোমাঞ্চ ছড়িয়েছে, তেমনি মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সে ‘এক্স-মেন’-এর একটি নতুন যুগের সূচনার ইঙ্গিতও দিয়েছে। চরিত্রটি নিয়ে স্যাডি জানান, পরিচালক ডেস্টিন ড্যানিয়েল ক্রেটনের সঙ্গে পূর্বে কাজের সুবাদেই তিনি সরাসরি এই সুযোগটি পেয়েছিলেন, যা তাঁর ক্যারিয়ারে যুক্ত করেছে নতুন পালক। সেটের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে উচ্ছ্বসিত এই অভিনেত্রী জানান, টম হল্যান্ডসহ পুরো টিম তাঁকে যেভাবে আপন করে নিয়েছে, তা ছিল এক অনন্য অভিজ্ঞতা।
মুক্তির পর থেকেই ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ বক্স অফিসে এক ইতিহাস তৈরি করেছে। ৩১ জুলাই আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তির প্রথম দিনেই ছবিটি ১৬ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার আয় করে ভেঙে দিয়েছে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’-এর রেকর্ড। উত্তর আমেরিকার বাজারে কোনো সিনেমার উদ্বোধনী আয়ের ক্ষেত্রে এটি এখন এক নতুন মাইলফলক। বক্স অফিসের এই অসামান্য সাফল্য কেবল সিনেমাটির জনপ্রিয়তাকেই প্রমাণ করছে না, বরং স্যাডি সিঙ্কের মতো সম্ভাবনাময় অভিনয়শিল্পীদের বাণিজ্যিক গ্রহণযোগ্যতাকেও এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
