AdvertisementAdvertisement

উত্তরবঙ্গে অতিভারীর সতর্কতা দক্ষিণবঙ্গে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তির মাঝে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস

সকাল থেকেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার পর দুপুরের দিকে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, স্থানীয়ভাবে তৈরি মেঘের প্রভাবে এই বৃষ্টিপাত হচ্ছে, যা দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র সমানভাবে বিস্তৃত নয়। ফলে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি এখনও বজায় রয়েছে এবং আগামী কয়েকদিন আবহাওয়ার তেমন কোনো বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।

বঙ্গোপসাগরে তৈরি নিম্নচাপটি রাজস্থানের দিকে সরে যাওয়ায় বাংলায় এর প্রভাব আর নেই। তবে মৌসুমি অক্ষরেখা রাজস্থানের জয়সলমীর থেকে মালদহ হয়ে মণিপুর পর্যন্ত বিস্তৃত থাকায় উত্তরবঙ্গে আবহাওয়ার বড় ধরনের পরিবর্তনের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এছাড়া হিমাচলপ্রদেশ ও অসমের ওপর সক্রিয় ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

রবিবার দক্ষিণবঙ্গের আটটি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড়বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা বাতাস বইতে পারে। এছাড়া মঙ্গলবার থেকে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান ও মেদিনীপুরের বিভিন্ন অংশে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

কলকাতার তাপমাত্রা নিয়ে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৭১ থেকে ৯৪ শতাংশের মধ্যে থাকায় বৃষ্টি না হলে অস্বস্তি বজায় থাকবে। মহানগরে আপাতত বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও বুধবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা বাড়তে পারে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে রবিবার থেকেই পরিস্থিতির অবনতি শুরু হয়েছে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে অতিভারী বৃষ্টির কারণে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহারে থাকছে হলুদ সতর্কতা। সোমবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায় কমলা সতর্কতা বহাল থাকবে, যা বুধবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির আকারে বজায় থাকতে পারে।

টানা ভারী বৃষ্টির জেরে পার্বত্য এলাকায় ধস নামার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া দপ্তর। একই সঙ্গে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি তিস্তা, তোর্সা, রায়ডাক ও জলঢাকা নদীর জলস্তর দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনকে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস

0%
0%
0%
0%