হরমুজ প্রণালীতে ইরানের সতর্কতা এবং মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে

হরমুজ প্রণালীতে বিকল্প নৌপথ ব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে ইরানের এলিট রেভল্যুশনারি গার্ড। মধ্যপ্রাচ্যে যখন ভূ-রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে, ঠিক সেই সময়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও বাহরাইনে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের বৈঠকে যোগ দিতে পৌঁছেছেন। ওয়াশিংটনের লক্ষ্য হলো তেহরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তির আলোচনার পাশাপাশি আঞ্চলিক মিত্রদের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষার বিষয়ে আশ্বস্ত করা।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, বাহরাইনে আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও স্পষ্ট করেছেন যে, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার আবহেও উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র দায়বদ্ধ। তবে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বৈশ্বিক উদ্বেগের সমাধান এখনো অধরা রয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রধান জানিয়েছেন, তাদের পরিদর্শকরা ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের জন্য ফিরবেন, তবে তেহরান কঠোর অবস্থানে থেকে জানিয়ে দিয়েছে যে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রকার পরিদর্শন আর সম্ভব নয়।
এদিকে লেবাননে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও যুদ্ধবিরতির আহ্বান সত্ত্বেও অস্থিরতা কাটছে না। দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিন শহরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় দুইজন নিহত হয়েছেন। পরিস্থিতি আরও জটিল করে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ ঘোষণা দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানালেও তাদের বাহিনী দক্ষিণ লেবাননে অবস্থান বজায় রাখবে। চলমান এই সংকটপূর্ণ পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা যে নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে, তা বিশ্লেষকদের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা