Infinix Smart 8

Price: 10,499 Official
3GB / 64GB ৳10,499
4GB / 128 GB ৳11,499

General & Launch

Model Infinix Smart 8
Status Available
Release Date November 2023
Warranty Official Warranty
Made In Bangladesh

Network

Network 4G
SIM Dual Nano-SIM

Body

Dimensions 163.6 x 75.6 x 8.5 mm
Weight 184g
Build Plastic Back
Colors Gold, Green, Black, White

Display

Type & Size IPS LCD, 6.6"
Resolution 720 x 1612 pixels
Refresh Rate 90Hz
Protection Glass Front

Platform

OS Android 13
Chipset Unisoc T606
CPU Octa-core
GPU Mali-G57 MP1

Memory

RAM 3GB / 4GB
Storage 64GB / 128GB
Card Slot Yes

Camera

Main Camera 13 MP + 0.08 MP
Features Ring-LED Flash
Video 1080p@30fps
Selfie Camera 8 MP
Selfie Video 1080p@30fps

Sound

Loudspeaker Yes (Mono)
3.5mm Jack Yes

Connectivity

WLAN Wi-Fi AC
Bluetooth 5.0
GPS Yes
NFC No
Radio Yes
USB Type-C 2.0

Battery

Capacity Li-Po 5000 mAh
Charging 10W Wired

Features

Sensors Fingerprint (Side)
Infinix Smart 8 সুবিধা
  • ৯০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট ডিসপ্লে।
  • ম্যাজিক রিং (আইফোনের ডায়নামিক আইল্যান্ডের মতো ফিচার)।
  • প্রিমিয়াম ডিজাইন এবং টেকসই বিল্ড কোয়ালিটি।
  • ইউএসবি টাইপ-সি পোর্ট।
  • ৫০০০ mAh এর শক্তিশালী ব্যাটারি।
  • পর্যাপ্ত স্টোরেজ সুবিধা।
Infinix Smart 8 অসুবিধা
  • মাত্র ১০ ওয়াটের ধীরগতির চার্জিং।
  • গেমারদের জন্য প্রসেসরটি খুব বেশি শক্তিশালী নয়।
  • ক্যামেরার পারফরম্যান্স গড়পড়তা।
  • বক্সে ব্যাক কভার বা প্রোটেক্টর অনেক সময় থাকে না (রিজিয়ন ভেদে)।
শেয়ার করুন

বিস্তারিত

Infinix Smart 8 market price in Bangladesh is ১০,৪৯৯ টাকা থেকে শুরু। বর্তমান স্মার্টফোন বাজারে বাজেট সেগমেন্টে ইনফিনিক্স নিজেদের অবস্থান বেশ শক্তপোক্ত করে নিয়েছে।

Advertisement

বিশেষ করে ছাত্রছাত্রী বা যারা কম বাজেটে সুন্দর দেখতে এবং দৈনন্দিন কাজের উপযোগী একটি স্মার্টফোন খুঁজছেন, তাদের জন্যই মূলত এই স্মার্ট ৮ মডেলটি বাজারে আনা হয়েছে। চলুন এই ডিভাইসটির প্রতিটি দিক নিয়ে গভীরভাবে আলোচনা করা যাক।

ডিজাইন এবং বিল্ড কোয়ালিটি বাজেট ফোন হলেও ইনফিনিক্স স্মার্ট ৮ এর ডিজাইনটি বেশ নজরকাড়া। ফোনটির পেছনের অংশে একটি গ্লসি ফিনিশ ব্যবহার করা হয়েছে, যাকে কোম্পানি বলছে “Timberline Texture”।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

আলোর প্রতিফলনে এটি বেশ প্রিমিয়াম দেখায়। পেছনের ক্যামেরা মডিউলটি দেখতে অনেকটাই আইফোন প্রো সিরিজের মতো, যা অনেক ব্যবহারকারীকে আকৃষ্ট করবে। ফোনটির বডি প্লাস্টিকের তৈরি হলেও এটি হাতে নিলে খুব সস্তা মনে হয় না।

এর ওজন মাত্র ১৮৪ গ্রাম এবং থিকনেস ৮.৫ মিমি, যা দীর্ঘক্ষণ হাতে রেখে ব্যবহার করার জন্য বেশ আরামদায়ক। ডান পাশে ভলিউম রকার এবং পাওয়ার বাটন রয়েছে, যেখানে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরটি ইন্টিগ্রেট করা হয়েছে। বাম পাশে সিম ট্রে, নিচে টাইপ-সি পোর্ট, ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক এবং স্পিকার গ্রিল রয়েছে।

ডিসপ্লে এবং ভিজ্যুয়াল এক্সপেরিয়েন্স ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৬.৬ ইঞ্চির একটি IPS LCD প্যানেল, যার রেজোলিউশন ৭২০ x ১৬১২ পিক্সেল (HD+)। এই বাজেটে ফুল এইচডি আশা করাটা বোকামি, তবে ডিসপ্লের কালার রিপ্র প্রোডাকশন এবং ভিউয়িং অ্যাঙ্গেল সন্তোষজনক।

এই ডিসপ্লের সবচেয়ে বড় চমক হলো এর ৯০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট। সাধারণত ১০-১২ হাজার টাকার ফোনে ৬০ হার্টজের বেশি রিফ্রেশ রেট খুব একটা দেখা যায় না। ৯০ হার্টজ হওয়ার কারণে স্ক্রলিং এবং অ্যানিমেশনগুলো বেশ স্মুথ মনে হয়। ডিসপ্লের উজ্জ্বলতা ৫০০ নিটস পর্যন্ত যেতে পারে, যা ঘরের ভেতরে ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট, তবে কড়া রোদে স্ক্রিন দেখতে কিছুটা সমস্যা হতে পারে। এতে পাঞ্চ-হোল কাটআউট ব্যবহার করা হয়েছে, যা আধুনিক লুক দেয় এবং এখানেই “ম্যাজিক রিং” ফিচারটি কাজ করে, যা চার্জিং স্ট্যাটাস বা ফেস আনলকের সময় অ্যানিমেশন দেখায়।

পারফরম্যান্স এবং হার্ডওয়্যার ইনফিনিক্স স্মার্ট ৮ এর হৃদপিণ্ড হিসেবে আছে Unisoc T606 চিপসেট। এটি একটি ১২ ন্যানোমিটার অক্টা-কোর প্রসেসর। সত্যি বলতে, এটি একটি এন্ট্রি-লেভেল প্রসেসর। দৈনন্দিন কাজ যেমন—ফেসবুকিং, ইউটিউব দেখা, বা ব্রাউজিংয়ের জন্য এটি ভালো পারফরম্যান্স দেয়। তবে আপনি যদি একজন হেভি গেমার হন, তবে এই ফোনটি আপনাকে হতাশ করতে পারে। ফ্রি ফায়ার বা পাবজির মতো গেমগুলো খেলা যাবে, তবে তা লো গ্রাফিক্স সেটিংসে। হাই গ্রাফিক্সে ফ্রেম ড্রপ এবং ল্যাগ দেখা দিতে পারে। মাল্টিটাস্কিংয়ের জন্য এতে ৩ জিবি বা ৪ জিবি র‍্যাম রয়েছে, যা সাধারণ ব্যবহারের জন্য ঠিকঠাক। তবে ব্যাকগ্রাউন্ডে একসাথে অনেকগুলো অ্যাপ ওপেন থাকলে ফোনটি কিছুটা ধীরগতির মনে হতে পারে।

সফটওয়্যার এবং ইউজার ইন্টারফেস ডিভাইসটি অ্যান্ড্রয়েড ১৩ (গো এডিশন) এর উপর ভিত্তি করে ইনফিনিক্সের নিজস্ব XOS 13 ইন্টারফেসে চলে। XOS বেশ ফিচার-রিচ একটি স্কিন, যেখানে অনেক কাস্টমাইজেশনের সুযোগ রয়েছে। তবে এর প্রধান সমস্যা হলো অতিরিক্ত প্রি-ইনস্টল করা অ্যাপ বা ব্লোটওয়্যার। ফোনটি কেনার পর আপনাকে বেশ কিছু অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ এবং বিজ্ঞাপন নোটিফিকেশনের সম্মুখীন হতে হতে পারে। তবে সফটওয়্যারটি বেশ অপ্টিমাইজড এবং ৯০ হার্টজ রিফ্রেশ রেটের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বেশ ভালোই কাজ করে। ম্যাজিক রিং ফিচারটি আইফোনের ডায়নামিক আইল্যান্ডের একটি সফটওয়্যার ভিত্তিক ক্লোন, যা খুব একটা কাজের না হলেও দেখতে বেশ কুল লাগে।

ক্যামেরা সেকশন পেছনে ডুয়াল ক্যামেরা সেটআপ থাকলেও মূলত একটি ১৩ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি সেন্সরই আসল কাজ করে, সাথে একটি সেকেন্ডারি এআই লেন্স রয়েছে। দিনের আলোতে এই ক্যামেরা দিয়ে বেশ ভালো ছবি তোলা যায়। ছবির কালারগুলো কিছুটা বুস্ট করা থাকে, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোডের জন্য উপযোগী। তবে ডিটেইলস এবং শার্পনেসের কিছুটা অভাব লক্ষ্য করা যায়। লো লাইট বা রাতের আলোতে ক্যামেরার পারফরম্যান্স খুব একটা ভালো নয়; ছবিতে নয়েজ বা গ্রেইন দেখা যায়।

ভিডিওর ক্ষেত্রে এটি দিয়ে ১০৮০পি ৩০ এফপিএস-এ ভিডিও রেকর্ড করা সম্ভব, কিন্তু কোনো স্ট্যাবিলাইজেশন না থাকায় ভিডিও কিছুটা কাঁপা কাঁপা আসে। সামনে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা। সেলফি ক্যামেরার সাথে একটি ফ্ল্যাশলাইটও দেয়া হয়েছে, যা ইনফিনিক্সের পুরনো ঐতিহ্য। সেলফিগুলো মোটামুটি ভালো, স্কিন টোন কিছুটা স্মুথ করে দেয় যা অনেকে পছন্দ করেন।

ব্যাটারি এবং চার্জিং ফোনটিতে ৫০০০ এমএএইচ এর একটি বড় ব্যাটারি রয়েছে। যেহেতু প্রসেসরটি খুব বেশি শক্তিশালী নয় এবং ডিসপ্লে রেজোলিউশন এইচডি প্লাস, তাই ব্যাটারি ব্যাকআপ দুর্দান্ত। সাধারণ ব্যবহারে অনায়াসেই দেড় থেকে দুই দিন চলে যাবে। আর একটু ভারী ব্যবহারে এক দিন পার করা সম্ভব। তবে হতাশার জায়গা হলো এর চার্জিং স্পিড।

বক্সে ১০ ওয়াটের চার্জার দেয়া হয়েছে, যা দিয়ে ফোনটি সম্পূর্ণ চার্জ হতে প্রায় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট থেকে ৩ ঘণ্টার মতো সময় নেয়। বর্তমান সময়ে এটি বেশ দীর্ঘ সময়। তবে টাইপ-সি পোর্ট থাকার কারণে এটি একটি প্লাস পয়েন্ট।

অডিও এবং কানেক্টিভিটি এতে একটি মাত্র স্পিকার রয়েছে, তবে স্পিকারের সাউন্ড বেশ লাউড এবং ক্লিয়ার। ডিটিএস সাউন্ড প্রসেসিং থাকার কারণে গান শোনার অভিজ্ঞতা মন্দ নয়। নেটওয়ার্ক কানেক্টিভিটির দিক থেকে এটি ৪জি সাপোর্ট করে এবং কল কোয়ালিটি বেশ স্বচ্ছ। ব্লুটুথ ৫.০ এবং ডুয়াল ব্যান্ড ওয়াইফাই থাকার কারণে কানেক্টিভিটি নিয়ে খুব একটা সমস্যায় পড়তে হয় না। সাইড মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরটি বেশ ফাস্ট এবং নির্ভুল কাজ করে।

স্টোরেজ ভেরিয়েন্ট বাংলাদেশে এটি মূলত ৩/৬৪ জিবি এবং ৪/৬৪ জিবি ভেরিয়েন্টে বেশি পাওয়া যায়, তবে কিছু দোকানে ৪/১২৮ জিবি ভেরিয়েন্টও মিলতে পারে। স্টোরেজ টাইপ হিসেবে eMMC 5.1 ব্যবহার করা হয়েছে, যা ইউএফএস স্টোরেজের চেয়ে ধীরগতির, তবে এই বাজেটে এটিই স্ট্যান্ডার্ড। মেমোরি কার্ড স্লটটি ডেডিকেটেড, তাই আপনি চাইলে দুটি সিমের পাশাপাশি একটি মেমোরি কার্ডও ব্যবহার করতে পারবেন।

যারা ১০-১২ হাজার টাকার মধ্যে একটি স্টাইলিশ ফোন খুঁজছেন, তাদের জন্য Infinix Smart 8 একটি অন্যতম সেরা অপশন হতে পারে। বিশেষ করে এর ডিজাইন, ৯০ হার্টজ ডিসপ্লে এবং ভালো ব্যাটারি ব্যাকআপ একে প্রতিযোগীদের থেকে এগিয়ে রাখে।

যদিও চার্জিং স্পিড এবং ক্যামেরা পারফরম্যান্সে কিছুটা ঘাটতি রয়েছে, তবুও এই দামে এর চেয়ে বেশি আশা করাটা কঠিন। আপনি যদি গেমিং না করেন এবং একটি নির্ভরযোগ্য সেকেন্ডারি ফোন বা সাধারণ ব্যবহারের ফোন চান, তবে এটি নিঃসন্দেহে আপনার পছন্দের তালিকায় থাকতে পারে।

Infinix Smart 8 আপনার কাছে কেমন লেগেছে?

গড় রেটিং: 0 / 5 (মোট 0 জন রেটিং করেছেন)
Design:
No ratings
Display:
No ratings
Performance:
No ratings
Camera:
No ratings
Battery:
No ratings
Features:
No ratings
Connectivity:
No ratings
Usability:
No ratings
Advertisement