আজাদ কাশ্মীর বিধানসভা নির্বাচনে পিএমএল-এন এর বড় জয়

আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের আইনসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) নিরঙ্কুশ আধিপত্য বিস্তার করেছে। ঘোষিত ১৯টি আসনের মধ্যে ১৪টিতেই জয়লাভ করেছে দলটি। দুনিয়া নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) পাঁচটি আসনে জয়ী হয়েছে। পাঞ্জাবভিত্তিক শরণার্থী আসনগুলোর ১২টির মধ্যে ১০টিতেই পিএমএল-এন তাদের আধিপত্য বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে।
মুজাফফরাবাদ বিভাগের আটটি নির্বাচনী এলাকা এবং ১২টি শরণার্থী আসনে এই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। তবে বৈরী আবহাওয়া ও ভূমিধসের কারণে নির্বাচনী সরঞ্জাম ও কর্মকর্তাদের পৌঁছাতে জটিলতা দেখা দেওয়ায় এলএ-২৭ আসনের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার ১৯৬টি ভোটকেন্দ্রের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গেছে, এলএ-২৫ নীলম ভ্যালি-১ আসনে ১৮ হাজার ৯২৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন পিএমএল-এনের শাহ গোলাম কাদির। এছাড়া এলএ-২৬ নীলম ভ্যালি-২ আসনে পিপিপি প্রার্থী মিয়াঁ আব্দুল ওয়াহিদ ১৭ হাজার ৪৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এলএ-২৯ আসনে ১৯ হাজার ৭৯২ ভোট পেয়ে পিপিপির সর্দার মোখতার আহমেদ খান জয়লাভ করেছেন।
মুজাফফরাবাদ ও এর পার্শ্ববর্তী অন্যান্য নির্বাচনী এলাকায়ও পিএমএল-এনের জয়জয়কার দেখা গেছে। এলএ-৩০ আসনে মোস্তফা বশির আব্বাসী ১৮ হাজার ৮২ ভোট, এলএ-৩১ আসনে সাকিব মজিদ রাজা ২৪ হাজার ভোট এবং এলএ-৩২ আসনে রাজা মুহাম্মদ ফারুক হায়দার ২১ হাজার ১৫৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। এলএ-৩৩ আসনে অবশ্য ২৫ হাজার ৪৬৯ ভোট পেয়ে পিপিপির দেওয়ান আলী খান কামার চুঘতাই জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন।
শরণার্থী আসনগুলোতে পিএমএল-এন প্রার্থী নাসির হোসেন দার ৫ হাজার ৬৮২ ভোট, চৌধুরী মুহাম্মদ ইসমাইল ২৪ হাজার ৩১৮ ভোট, মুহাম্মদ আহসান রাজা ২৭ হাজার ২১৮ ভোট, মরিয়ম জাভেদ ২৮ হাজার ৫৪৭ ভোট, জিশান আলী ১৩ হাজার ১৩২ ভোট এবং রাজা মুহাম্মদ সিদ্দিক ১০ হাজার ৯৮১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। এছাড়া কাশ্মীর উপত্যকার বিভিন্ন আসনেও পিএমএল-এন এবং পিপিপির প্রার্থীরা নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করেছেন।
তথ্যসূত্র: দুনিয়া নিউজ
