পাকিস্তান ও কুয়েতের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি অনুমোদন

পাকিস্তান ও কুয়েতের মধ্যকার দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে গত বছরের জুন মাসে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি অনুসমর্থন করেছে কুয়েত সরকার। এই সিদ্ধান্তকে দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছে ইসলামাবাদ। চুক্তির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়ার পর উভয় দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যকার প্রাতিষ্ঠানিক বন্ধন আরও শক্তিশালী হওয়ার পথ প্রশস্ত হলো।
পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে জানান, এই চুক্তির আওতায় সামরিক প্রশিক্ষণ, শিক্ষা এবং যৌথ মহড়া পরিচালনার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে উভয় দেশ পারস্পরিক দক্ষতা বিনিময় এবং সামরিক সহযোগিতার অন্যান্য ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারবে। মূলত দ্বিপাক্ষিক এই প্রতিরক্ষা কাঠামো আঞ্চলিক শান্তি, নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২০২৩ সালের জুন মাসে স্বাক্ষরিত এই প্রতিরক্ষা চুক্তিটি এত দিন চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল। কুয়েতের পক্ষ থেকে চুক্তিটি অনুসমর্থন করায় এখন এটি কার্যকর করার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর ফলে পাকিস্তান ও কুয়েতের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধির পাশাপাশি কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীরতর হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করেছে যে, এই উন্নয়ন পাকিস্তান এবং কুয়েতের পারস্পরিক প্রতিশ্রুতি ও গভীর সম্পর্কের প্রতিফলন। আগামী বছরগুলোতে প্রতিরক্ষা খাতের পাশাপাশি অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়েও দুই দেশ একযোগে কাজ করে যাবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে উভয় দেশের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বন্ধুত্বের বন্ধন দীর্ঘস্থায়ী হবে।
তথ্যসূত্র: দুনিয়া নিউজ