AdvertisementAdvertisement

ভারতে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট সীমিত করার অভিযোগে মেটার বিরুদ্ধে সরব অরবিন্দ কেজরিওয়াল

পেট্রোলে ইথানল মিশ্রিত ই-২০ জ্বালানির মান এবং এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েলে ইথানল ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ও আম আদমি পার্টির মধ্যকার চলমান রাজনৈতিক উত্তাপের মধ্যেই নতুন বিতর্কের জন্ম হয়েছে। বৃহস্পতিবার আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল অভিযোগ তুলেছেন যে, প্রযুক্তি সংস্থা মেটা ভারতে তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টটি ‘সীমিত’ বা রেস্ট্রিক্ট করে দিয়েছে। দিল্লির প্রাক্তন এই মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন, কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ দর্শানো ছাড়াই তাঁর ওপর এমন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরাসরি মেটা কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন। তিনি জানান, মেটার স্থানীয় কার্যালয়ে মৌখিক যোগাযোগ এবং ইমেলের মাধ্যমে বিষয়টি জানানোর পরেও কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি, সংস্থার অটোমেটেড চ্যাট বট বা স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাও কোনো সহায়ক তথ্য প্রদানে ব্যর্থ হয়েছে। অভিযোগের সপক্ষে তিনি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট স্ট্যাটাসের একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করেছেন, যেখানে দেখা যায় যে তাঁর অ্যাকাউন্টটি কিছু নির্দিষ্ট অঞ্চলে ব্যবহারকারীদের জন্য অনুপলব্ধ ছিল।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দাবি, ভারতের অভ্যন্তরে তাঁর পোস্টগুলো সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানো বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং এর পেছনে রাজনৈতিক চাপ কাজ করছে বলে তিনি সন্দেহ করছেন। মেটাকে উদ্দেশ্য করে তিনি মন্তব্য করেন যে, ভারতর প্রধানমন্ত্রীর সামনে সংস্থাটির এত বেশি নতজানু হওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে এই অভিযোগের সপক্ষে কোনো অকাট্য প্রমাণ তিনি পেশ করতে পারেননি এবং প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মেটা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, ভারতর সরকারের সাথে মেটার সম্পর্ক বর্তমানে এক বিশেষ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বুধবার কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সাথে মেটার এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে ভারতর প্রধানমন্ত্রীর একটি ভিডিও ফেসবুক থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে ফেলার বিষয়টি নিয়ে তীব্র বিতর্ক হয়েছে। বৈঠকে শিশুদের নিরাপত্তা, যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত কনটেন্ট এবং ডিপফেক ভিডিও নিয়ন্ত্রণ নিয়েও মেটাকে কঠোর বার্তা দিয়েছে সরকার। মেটার পক্ষ থেকে এসব ভুলের জন্য দুঃখপ্রকাশ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

ভারত সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, বাক-স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করার উদ্দেশ্য সরকারের নেই, তবে সমস্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মকে অবশ্যই দেশের আইন মেনে চলতে হবে। এর আগে তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও সরিয়ে ফেলার ঘটনায় মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গের কাছে ক্ষমা প্রার্থনার দাবি জানিয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ক্ষমা না চাইলে সংস্থটির আইনি সুরক্ষা প্রত্যাহার করে নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস

0%
0%
0%
0%