ওয়েস্ট জোনকে হারিয়ে দিলীপ ট্রফির সেমিফাইনালে নর্থ জোন

বেঙ্গালুরুর সেন্টার অফ এক্সিলেন্স গ্রাউন্ডে দলীপ ট্রফির দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে ওয়েস্ট জোনকে ৫২ রানে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে নর্থ জোন। চতুর্থ দিনের সকালে জয়ের জন্য ওয়েস্ট জোনের প্রয়োজন ছিল ৬৭ রান, হাতে ছিল ৩ উইকেট। তবে নর্থ জোনের বোলারদের তোপের মুখে সাত ওভারের বেশি টিকতে পারেনি প্রতিপক্ষ। দিনের দ্বিতীয় ওভারেই তনুশ কোটিয়ানকে বোল্ড করে নর্থ জোনের জয়ের পথ প্রশস্ত করেন আবিদ মুশতাক। এরপর তুষার দেশপাণ্ডেকে আউট করার পর নিশান্ত সিন্ধু উর্বিল প্যাটেলকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে ম্যাচের ইতি টানেন।
ম্যাচে নর্থ জোনের জয়ের মূল কারিগর ছিলেন আবিদ মুশতাক। প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়ে দলকে ৬৪ রানের লিড এনে দেওয়ার পাশাপাশি দ্বিতীয় ইনিংসেও নিয়েছেন ৪ উইকেট। সব মিলিয়ে ম্যাচে নয় উইকেট শিকার করে নর্থ জোনের জয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন তিনি। অথচ ম্যাচের শুরুতে নর্থ জোনের ব্যাটারদের লড়াইয়ের ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছিল জয়ের ভিত। প্রথম ইনিংসে অংশুল কম্বোজের ৬০, আয়ুষ বাদোনির ৫১ এবং আয়ুষ দোসেজার ৪২ রানের সুবাদে ২৫১ রান সংগ্রহ করেছিল দলটি। ওয়েস্ট জোনের হয়ে তুষার দেশপাণ্ডে ও তনুশ কোটিয়ান প্রত্যেকে চারটি করে উইকেট নিয়েছিলেন।
জবাবে প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট জোন ১৮৭ রানে গুটিয়ে যায়। শামস মুলানির ৫০ এবং মুশিন খানের ৩১ রান ছিল উল্লেখযোগ্য। দ্বিতীয় ইনিংসে নর্থ জোন তাদের সংগ্রহ দাঁড় করায় ২২২ রান। টানা দ্বিতীয় অর্ধশতক হাঁকানো আয়ুষ বাদোনি ৫০ ও নিশান্ত সিন্ধু ৪৪ রান করে দলের সংগ্রহকে সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে যান। জয়ের জন্য ওয়েস্ট জোনকে ২৮৭ রানের লক্ষ্য দেয় নর্থ জোন।
তৃতীয় দিনে মুশিন খানের ৯৬ এবং অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের ৬৬ রানের ধৈর্যশীল জুটিতে জয়ের স্বপ্ন দেখছিল ওয়েস্ট জোন। কিন্তু গায়কোয়াড় রান আউট হওয়ার পর ছন্দপতন ঘটে তাদের ব্যাটিং লাইনআপে। শেষ সাত উইকেট মাত্র ৩৯ রানে হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় ওয়েস্ট জোন। সংক্ষিপ্ত স্কোরে নর্থ জোন প্রথম ইনিংসে ২৫১ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ২২২ রান সংগ্রহ করে। অন্যদিকে ওয়েস্ট জোন প্রথম ইনিংসে ১৮৭ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ২৩৪ রান তুলে ৫২ রানের ব্যবধানে পরাজিত হয়।
