সাউদার্ন ব্রেভের কাছে ট্রেন্ট রকেটসের হার, ফাইনালে ওঠার সমীকরণ এখন অন্যের ফলাফলের ওপর নির্ভরশীল

ট্রেন্ট ব্রিজে সাউদার্ন ব্রেভের বিপক্ষে ৬ উইকেটের হতাশাজনক হারে ২০২৬ সালের মেনস হান্ড্রেড টুর্নামেন্টের সরাসরি ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন এখন আর নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেই ট্রেন্ট রকেটসের। এই হারের ফলে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থেকে টুর্নামেন্ট শেষ করার বিষয়টি এখন সানরাইজার্স লিডস ও ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টসের মধ্যকার ম্যাচের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে। লিডস যদি তাদের শেষ ম্যাচে জয়লাভ করে, তবে নেট রান রেটের ব্যবধানে রকেটসকে টপকে তারা জায়গা করে নেবে ফাইনালের মঞ্চে।
নিজেদের নির্ধারিত ১০০ বলে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৮ রানের লড়াকু পুঁজি গড়েছিল ট্রেন্ট রকেটস। শুরুর বিপর্যয়ে ৯২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা দলকে কক্ষপথে ফেরান মিচেল স্যান্টনার ও লুইস গ্রেগরি। ষষ্ঠ উইকেটে অপরাজিত ৬৬ রানের জুটিতে স্যান্টনার ২৩ বলে ৩৫ এবং গ্রেগরি ১৮ বলে ২৮ রান করেন। ব্রেভের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বড় সংগ্রহ গড়তে ব্যর্থ হয় রকেটস।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ট্রিস্টান স্টাবসের বিধ্বংসী অপরাজিত ৫২ এবং মার্কাস স্টয়নিসের ঝড়ো ৪৬ রানের সুবাদে জয় নিশ্চিত করে বিদায়ী ব্রেভ। জেমি স্মিথ ও মঈন আলীর উদ্বোধনী জুটি ৪২ রান তুললে ব্রেভ দারুণ শুরু পায়। যদিও ক্রেইগ ওভারটন ও ক্যালভিন হ্যারিসনের তোপে ৭৮ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছিল অতিথিরা। তবে এরপরই দৃশ্যপটে আসেন স্টাবস ও স্টয়নিস। ৪১ বলে ৭০ রানের এক দারুণ জুটি গড়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তারা। স্টয়নিস ২৫ বলে ৪৬ রান করে বিদায় নিলেও স্টাবস ২৮ বলে ৫২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ৩ বল বাকি থাকতেই দলের জয় নিশ্চিত করেন।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে ট্রেন্ট রকেটসের হয়ে বেন ডাকেট চার বাউন্ডারি হাঁকালেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ফিন অ্যালেন ও অ্যানিউরিন ডোনাল্ড ইতিবাচক খেলার চেষ্টা করলেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে রকেটস। শেষ দিকে স্যান্টনার ও গ্রেগরির দৃঢ়তায় দলটি ১৫৮ রানের পুঁজি পায়। শেষ ৩৯ বলে তারা ৬৬ রান যোগ করেন। তবে শেষ পর্যন্ত এই সংগ্রহ ব্রেভের জয় আটকানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না।
ম্যাচের সংক্ষিপ্ত স্কোর: ট্রেন্ট রকেটস ১০০ বলে ১৫৮/৫ (মিচেল স্যান্টনার ৩৫*, লুইস গ্রেগরি ২৮*; ড্যানিয়েল ওরাল ১/২১)। সাউদার্ন ব্রেভ ৯৭ বলে ১৫৯/৪ (ট্রিস্টান স্টাবস ৫২*, মার্কাস স্টয়নিস ৪৬; ক্যালভিন হ্যারিসন ২/৩২)। সাউদার্ন ব্রেভ ৬ উইকেটে জয়ী।
