সাদারল্যান্ডের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে হারের বৃত্ত ভাঙল সানরাইজার্স লিডস

নারিন ডি ক্লার্কের করা শেষ ওভারের তৃতীয় বলে মিডউইকেটের ওপর দিয়ে বিশাল এক ছক্কা হাঁকিয়ে সানরাইজার্স লিডসের জয় নিশ্চিত করলেন অ্যানাবেল সাদারল্যান্ড। দ্য উইমেন্স হান্ড্রেডে লন্ডন স্পিরিটের বিপক্ষে ১৩৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শ্বাসরুদ্ধকর এই জয় তুলে নিয়ে হারের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে এলো লিডস। সাদারল্যান্ডের অপরাজিত ৩৭ রানের দায়িত্বশীল ইনিংসটি শেষ পর্যন্ত জয়ের বন্দরে নোঙর করায় স্বস্তি ফিরেছে দলে।
ম্যাচের শেষ দিকে লক্ষ্য যখন মাত্র ৩ বলে ১ রান, তখনই ডি ক্লার্কের ডেলিভারিটি সীমানা ছাড়া করেন সাদারল্যান্ড। এর আগের বলেই জেস জোনাসেন একটি গুরুত্বপূর্ণ বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দলের জয়ের পথ সুগম করেন। যদিও জয়ের খুব কাছে গিয়ে কিছুটা হোঁচট খেয়েছিল লিডস। শেষ ৯ বলে যখন ১৪ রান দরকার ছিল, তখন দিপ্তি শর্মা বড় শট খেলতে গিয়ে আউট হন। তার আগে কেটি জর্জের শিকার হন দানি গিবসন। তবে সাদারল্যান্ড এক প্রান্ত আগলে রেখে ফিবি লিচফিল্ড ও ব্রায়নি স্মিথের গড়া শুরুর ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে দলকে লক্ষ্যে পৌঁছে দেন।
এর আগে লিডসের নতুন ওপেনিং জুটি দুর্দান্ত শুরু করে ৩২ বলেই দলীয় অর্ধশতক পূর্ণ করেছিল। কিন্তু এরপরই সাত বলের ব্যবধানে তিন উইকেট হারিয়ে ৫৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দলটি। তবে শেষ পর্যন্ত সাদারল্যান্ডের ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে সেই বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠে লিডস।
লন্ডন স্পিরিটের ইনিংসটি অবশ্য শুরুতে বেশ সাবলীল ছিল। গ্রেস হ্যারিস ৫১ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেললেও বৃষ্টির বাগড়ায় ছন্দপতন ঘটে তাদের। ৫০ বল শেষে ৮৯ রানে ১ উইকেট নিয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকা স্পিরিট বৃষ্টির বিরতির পরই খেই হারিয়ে ফেলে। মারিজান ক্যাপ প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তারা ১২৬ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩৬ রানে থামে।
সানরাইজার্স লিডসের বোলার দিপ্তি শর্মা দারুণ বোলিং করে ১৮ রানে ২ উইকেট তুলে নেন। বল হাতে সাদারল্যান্ড নিজেও ম্যাজিক দেখিয়েছিলেন ক্যাপকে সাজঘরে ফিরিয়ে। শেষ পর্যন্ত ব্যাট হাতে দুর্দান্ত পারফর্ম করে ম্যাচসেরার পুরস্কারটিও জিতে নেন এই অজি অলরাউন্ডার।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: লন্ডন স্পিরিট ১০০ বলে ১৩৬/৭ (গ্রেস হ্যারিস ৫১, অ্যামি জোন্স ২৪; দিপ্তি শর্মা ২-১৮, হান্না বেকার ২-২১) সানরাইজার্স লিডসের কাছে ৫ উইকেটে পরাজিত। সানরাইজার্স লিডস ৯৯ বলে ১৪২/৫ (অ্যানাবেল সাদারল্যান্ড ৩৭*, ফিবি লিচফিল্ড ৩০; কেটি জর্জ ৩-২৫, চার্লি ডিন ১-১৩)।
