AdvertisementAdvertisement

বিশ্বকাপের পারফরম্যান্সে বিশ্বজয়ী ভোজিনহার নতুন ঠিকানা চিলির জায়ান্ট ক্লাব কোলো কোলো

ফিফা বিশ্বকাপে দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শনের পর নিজের স্বপ্নের গন্তব্যে পৌঁছালেন কেপ ভার্দের তারকা গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। আন্তর্জাতিক মঞ্চে অসাধারণ পারফরম্যান্সের সুবাদে চিলির ঐতিহ্যবাহী ক্লাব কোলো-কোলোর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন, বড় মঞ্চের জন্যই নিজেকে প্রস্তুত করেছিলেন তিনি। ৪০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক মঙ্গলবার সাংবাদিকদের কাছে অকপটে স্বীকার করেন যে, ক্যারিয়ারের শুরুতে ছোট লিগ বা অপেক্ষাকৃত কম পরিচিত ক্লাবে খেললেও নিজের সক্ষমতার ওপর তার অগাধ বিশ্বাস ছিল।

বিশ্বকাপের মঞ্চে ভোজিনিয়ার বীরত্বগাথা আজও ফুটবলপ্রেমীদের মুখে মুখে। আফ্রিকার ছোট দেশ কেপ ভার্দেকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে নিয়ে যাওয়ার নেপথ্যে তার ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। গ্রুপ পর্বে স্পেনের বিপক্ষে ০-০ গোলের ড্র কিংবা উরুগুয়ে ও সৌদি আরবের বিপক্ষে লড়াই করে শেষ ষোলোতে পা রাখা—সব মিলিয়ে ভোজিনিয়া হয়ে উঠেছিলেন বিশ্ব ফুটবলের নতুন বিস্ময়। যদিও রাউন্ড অব থার্টি-টুতে আর্জেন্টিনার কাছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে অল্পের জন্য বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের, তবে তার ব্যক্তিগত নৈপুণ্য ছিল নজরকাড়া।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

পর্তুগিজ দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব শাভেস ছেড়ে চিলির সর্বোচ্চ লিগের সফলতম ক্লাব কোলো-কোলোতে যোগ দেওয়াকে নিজের ক্যারিয়ারের শ্রেষ্ঠ অর্জন হিসেবে দেখছেন ভোজিনিয়া। এর আগে অ্যাঙ্গোলা, সাইপ্রাস, মলদোভা এবং স্লোভাকিয়ার বিভিন্ন ক্লাবে খেললেও, চিলির ৩৪ বারের লিগ চ্যাম্পিয়নদের জার্সিতে মাঠে নামাটা তার কাছে পরম প্রাপ্তি।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

ভোজিনিয়া বলেন, তার কাছে অনেক ক্লাবের প্রস্তাব থাকলেও কোলো-কোলোর ডাকে সাড়া দিতে তিনি এক মুহূর্তও দ্বিধা করেননি। তিনি বিশ্বাস করেন, তার অতীত অভিজ্ঞতা তাকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে। বিশ্বকাপে পাওয়া সাফল্য এখন সোনালী অতীত, আর বর্তমানে কোলো-কোলোর সমৃদ্ধ ইতিহাসের অংশ হতে পারাটাই তার ফুটবল ক্যারিয়ারের উজ্জ্বলতম অধ্যায়।

0%
0%
0%
0%