Samsung Galaxy Tab S10 Ultra
General & Launch
Network
Body
Display
Platform
Memory
Camera
Sound
Connectivity
Battery
Features
- অসাধারণ ডিসপ্লে
- উচ্চ পারফরম্যান্স
- খুবই দামি
- হেডফোন জ্যাক নেই
বিস্তারিত
Samsung Galaxy Tab S10 Ultra market price in Bangladesh is BDT 105,000 to BDT 134,000. স্যামসাং গ্যালাক্সি ট্যাব এস১০ আল্ট্রা বর্তমান বাজারের অন্যতম শক্তিশালী এবং প্রিমিয়াম একটি ট্যাবলেট, যা মূলত প্রফেশনাল কন্টেন্ট ক্রিয়েটর, গেমার এবং মাল্টি-টাস্কিং ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। বিশাল ১৪.৬ ইঞ্চির ডায়নামিক অ্যামোলেড ২এক্স ডিসপ্লে এবং মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৯৩০০+ চিপসেটের সমন্বয়ে তৈরি এই ডিভাইসটি পারফরম্যান্সের দিক থেকে বর্তমান বিশ্বে এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী নাম। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা গ্যালাক্সি এআই-এর নানাবিধ সুবিধা এবং প্রিমিয়াম মেটাল ডিজাইনের কারণে এটি অ্যান্ড্রয়েড দুনিয়ার সেরা ট্যাবলেট হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
📦 Samsung Galaxy Tab S10 Ultra Memory (RAM & Storage)
এই ট্যাবলেটে মেমোরির ক্ষেত্রে স্যামসাং কোনো কার্পণ্য করেনি। ব্যবহারকারীরা ১২ জিবি এবং ১৬ জিবি র্যামের দুটি ভেরিয়েন্ট পাচ্ছেন, যা মাল্টি-টাস্কিংয়ের সময় দুর্দান্ত গতি প্রদান করে। স্টোরেজের দিক থেকে ২৫৬ জিবি, ৫১২ জিবি এবং সর্বোচ্চ ১ টেরাবাইটের ইন্টারনাল স্টোরেজ অপশন রয়েছে। এছাড়া, প্রয়োজনে মাইক্রো এসডি কার্ডের মাধ্যমে স্টোরেজ ১.৫ টেরাবাইট পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব, যা প্রফেশনাল কাজের জন্য অত্যন্ত সহায়ক।
🌍 Samsung Galaxy Tab S10 Ultra এর বাংলাদেশসহ ১৫টি দেশের বাজারমূল্য
স্যামসাং গ্যালাক্সি ট্যাব এস১০ আল্ট্রার বাজারমূল্য দেশভেদে ভিন্ন হয়ে থাকে। বাংলাদেশে এর দাম শুরু হচ্ছে আনুমানিক ১০৫,০০০ টাকা থেকে। অন্যান্য দেশের মুদ্রার মান অনুযায়ী দাম মোটামুটি এরকম: ভারতে প্রায় ৯৯,০০০ রুপি, যুক্তরাষ্ট্রে ১,১৯৯ ডলার, ইউরোপে ১,৩৩৯ ইউরো, যুক্তরাজ্যে ১,১৯৯ পাউন্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৪,৪০০ দিরহাম, সৌদি আরবে ৪,৫০০ রিয়াল, কানাডায় ১,৬০০ ডলার, অস্ট্রেলিয়ায় ১,৮০০ ডলার, সিঙ্গাপুরে ১,৭৫০ ডলার, মালয়েশিয়ায় ৫,৫০০ রিঙ্গিত, ইন্দোনেশিয়ায় ১৯ মিলিয়ন রুপিয়া, থাইল্যান্ডে ৪২,০০০ বাত, ভিয়েতনামে ৩০ মিলিয়ন দং এবং জাপানে ১৭০,০০০ ইয়েন। এই দামগুলো বাজারের পরিবর্তন ও ট্যাক্সের ওপর নির্ভর করে কিছুটা কম-বেশি হতে পারে।
🖥️ Samsung Galaxy Tab S10 Ultra Display
ট্যাবটির প্রধান আকর্ষণ এর ১৪.৬ ইঞ্চির বিশাল ডায়নামিক অ্যামোলেড ২এক্স ডিসপ্লে। ১৮৪৮ x ২৯৬০ পিক্সেল রেজোলিউশনের এই ডিসপ্লেটি ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট করে। এইচডিআর১০+ এবং অ্যান্টি-রিফ্লেক্টিভ কোটিং থাকার ফলে দিনের আলোতেও এটি চমৎকার দৃশ্যমানতা প্রদান করে। মুভি দেখা বা গ্রাফিক ডিজাইনের কাজের জন্য এটি একটি আদর্শ ক্যানভাস।
📸 Samsung Galaxy Tab S10 Ultra Cameras
ট্যাবলেটে সাধারণত ক্যামেরার ব্যবহার কম হলেও স্যামসাং এখানে কোনো ছাড় দেয়নি। পেছনে ১৩ মেগাপিক্সেল ওয়াইড এবং ৮ মেগাপিক্সেল আল্ট্রাওয়াইড লেন্স রয়েছে। ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের জন্য সামনে রয়েছে ডুয়াল ১২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা সেটআপ, যা ৪কে ভিডিও রেকর্ড করতে সক্ষম। এর ভিডিও কোয়ালিটি অত্যন্ত স্পষ্ট ও প্রফেশনাল মানের।
⚙️ Samsung Galaxy Tab S10 Ultra Hardware & Software
এই ট্যাবলেটে সফটওয়্যার হিসেবে অ্যান্ড্রয়েড ১৪ এবং ওয়ান ইউআই ৬.১.১ ব্যবহার করা হয়েছে। এটি দীর্ঘমেয়াদী সফটওয়্যার আপডেটের নিশ্চয়তা দেয়। এর হার্ডওয়্যারগুলো এমনভাবে অপ্টিমাইজ করা হয়েছে যাতে ভারী অ্যাপগুলো অনায়াসে চলতে পারে। আইপি৬৮ রেটিং থাকার কারণে এটি ধুলো এবং পানি থেকেও সুরক্ষিত।
🔋 Samsung Galaxy Tab S10 Ultra Battery
ট্যাবটিতে ১১,২০০ এমএএইচ-এর বিশাল ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে, যা দীর্ঘক্ষণ ব্যাকআপ নিশ্চিত করে। ৪৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সুবিধার মাধ্যমে এটি দ্রুত চার্জ করা সম্ভব। তবে বিশাল ডিসপ্লের কারণে উচ্চ ব্রাইটনেসে ব্যাটারি খরচ কিছুটা বেশি হতে পারে।
🧩 Samsung Galaxy Tab S10 Ultra Design
ডিজাইনের দিক থেকে এটি অত্যন্ত প্রিমিয়াম। ৫.৪ মিলিমিটার পাতলা বডি এবং আরমার অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেম একে মজবুত ও মার্জিত করে তুলেছে। এর ওজন প্রায় ৭১৮ গ্রাম, যা হাতে ধরার জন্য বেশ স্থিতিশীল। এস পেন রাখার জন্য এর পেছনে নির্দিষ্ট চৌম্বকীয় জায়গা রয়েছে।
🌐 Samsung Galaxy Tab S10 Ultra Network & Connectivity
এই ট্যাবলেটে ওয়াই-ফাই ৭ সাপোর্ট রয়েছে, যা দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা দেয়। এতে ন্যানো সিম এবং ই-সিম উভয় ব্যবহারের সুযোগ আছে। ৫জি নেটওয়ার্ক সাপোর্ট থাকায় যে কোনো জায়গা থেকে দ্রুত ডেটা কানেক্টিভিটি পাওয়া সম্ভব। ব্লুটুথ ৫.৩ এবং ইউএসবি ৩.২ পোর্ট কানেক্টিভিটিকে আরও আধুনিক করেছে।
🔐 Samsung Galaxy Tab S10 Ultra Sensors & Security
সুরক্ষার জন্য এতে ইন-ডিসপ্লে অপটিক্যাল ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর ব্যবহার করা হয়েছে, যা দ্রুত আনলক করে। এছাড়া জাইরোস্কোপ, এক্সিলারোমিটার, কম্পাস এবং অ্যাম্বিয়েন্ট লাইট সেন্সর সহ সকল প্রয়োজনীয় আধুনিক সেন্সর এতে বিদ্যমান রয়েছে।
🎧 Samsung Galaxy Tab S10 Ultra Multimedia
এজেকে (AKG) টিউনড কোয়াড স্টেরিও স্পিকার এর মাল্টিমিডিয়া অভিজ্ঞতাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। সাউন্ডের গভীরতা এবং স্বচ্ছতা ভিডিও দেখার অভিজ্ঞতাকে আনন্দদায়ক করে তোলে। যদিও এতে ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক নেই, তবে ব্লুটুথ অডিও কোয়ালিটি অত্যন্ত চমৎকার।
🧠 Samsung Galaxy Tab S10 Ultra Platform (OS, Chipset, CPU, GPU)
মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৯৩০০+ চিপসেট ব্যবহার করা হয়েছে এই ট্যাবলেটে। এর অক্টা-কোর প্রসেসর এবং ইমর্টালিস-জি৭২০ জিপিইউ গেমিং ও প্রোডাক্টিভিটির জন্য অতুলনীয়। অ্যান্ড্রয়েড ভিত্তিক স্যামসাংয়ের কাস্টম স্কিন ওয়ান ইউআই এর বহুমুখী ফিচারগুলো একে সাধারণ অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস থেকে আলাদা করেছে।
🧪 Samsung Galaxy Tab S10 Ultra Tests (Benchmark & Performance)
বেঞ্চমার্ক টেস্টে ডিভাইসটি তার ক্যাটাগরির অন্যান্য ট্যাবলেটের চেয়ে এগিয়ে আছে। মাল্টি-টাস্কিং এবং হেভি গ্রাফিক্স গেমিংয়ে এটি কোনো প্রকার ল্যাগ বা হিটিং সমস্যা ছাড়াই দুর্দান্ত পারফর্ম করেছে। গ্যালাক্সি এআই ফিচারের মাধ্যমে নোট বা ছবি এডিটিংয়ের কাজগুলো অত্যন্ত দ্রুত সম্পন্ন করা যায়।
✅ Samsung Galaxy Tab S10 Ultra এর সুবিধাগুলো
১. চমৎকার ১৪.৬ ইঞ্চি অ্যামোলেড ডিসপ্লে। ২. মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৯৩০০+ এর শক্তিশালী পারফরম্যান্স। ৩. আইপি৬৮ ওয়াটার ও ডাস্ট রেজিস্ট্যান্স। ৪. সাথে এস পেন ইনক্লুড করা আছে। ৫. গ্যালাক্সি এআই ফিচারগুলো উৎপাদনশীলতা বাড়ায়। ৬. প্রিমিয়াম অ্যালুমিনিয়াম বডি। ৭. ওয়াই-ফাই ৭ এবং ৫জি সাপোর্ট।
❌ Samsung Galaxy Tab S10 Ultra এর অসুবিধাগুলো
১. সাইজের কারণে বহন করা কিছুটা কষ্টকর। ২. ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক নেই। ৩. দাম তুলনামূলক অনেক বেশি। ৪. বক্সের সাথে চার্জার অ্যাডাপ্টার নেই। ৫. বড় স্ক্রিনের কারণে ব্যাটারি ড্রেন দ্রুত হতে পারে।