Infinix Smart 9
General & Launch
Network
Body
Display
Platform
Memory
Camera
Sound
Connectivity
Battery
Features
- ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট সহ স্মুথ পাঞ্চ-হোল ডিসপ্লে।
- ৫০০০ এমএএইচ এর দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি।
- ডুয়েল স্টেরিও স্পিকার সেটআপ।
- আকর্ষণীয় ডিজাইন ও আইপি ৫৪ রেটিং।
- টাইপ-সি চার্জিং পোর্ট সুবিধা।
- সাইড মাউন্টেড ফাস্ট ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর।
- চার্জিং গতি খুব ধীর (১০ ওয়াট)।
- গেমিং বা ভারী কাজের জন্য প্রসেসরটি দুর্বল।
- লো-লাইটে ক্যামেরার পারফর্মেন্স গড়পড়তা।
- প্রচুর প্রি-ইনস্টল ব্লোটওয়্যার অ্যাপ।
বিস্তারিত
Infinix Smart 9 market price in Bangladesh is ১১,৪৯৯ টাকা (অফিসিয়াল, ৪/৬৪ জিবি ভেরিয়েন্ট)। বাংলাদেশের স্মার্টফোন বাজারকে যদি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়, তবে দেখা যাবে এন্ট্রি লেভেল বা বাজেট সেগমেন্টে ইনফিনিক্সের আধিপত্য কতটা প্রবল। বিশেষ করে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা বাজেটের মধ্যে ক্রেতারা যখন ভালো ব্যাটারি লাইফ, বড় ডিসপ্লে এবং আকর্ষণীয় ডিজাইনের খোঁজ করেন, তখন ইনফিনিক্সের ‘স্মার্ট’ সিরিজটি সবার আগে চলে আসে।
ইনফিনিক্স স্মার্ট ৯ হলো এই জনপ্রিয় সিরিজের সর্বশেষ সংস্করণ, যা বাজারে আসার পর থেকেই প্রযুক্তিপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। পূর্ববর্তী স্মার্ট ৮ সিরিজের ব্যাপক সাফল্যের পর, স্মার্ট ৯-এ কোম্পানিটি ডিসপ্লের রিফ্রেশ রেট এবং ডিজাইনের স্থায়িত্বের ওপর বিশেষ নজর দিয়েছে।
আজকের এই পর্যালোচনায় আমরা এই ডিভাইসটির প্রতিটি দিক—ডিজাইন, ডিসপ্লে, পারফর্মেন্স, ক্যামেরা এবং ব্যাটারি লাইফ নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করব। দেখব, আসলেই কি এই ফোনটি তার পূর্বসূরীদের চেয়ে ভালো, নাকি শুধুই নতুন মোড়কে পুরনো জিনিস।
ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি Infinix Smart 9 এর ডিজাইন ল্যাঙ্গুয়েজ এক কথায় মডার্ন এবং ট্রেন্ডি। ফোনটি হাতে নিলেই বোঝা যায় যে ইনফিনিক্স বাজেট ফোনেও প্রিমিয়াম ফিল দেওয়ার চেষ্টা করেছে। এর পেছনের প্যানেলে ব্যবহার করা হয়েছে ম্যাট ফিনিশযুক্ত উন্নত মানের পলিকার্বোনেট বা প্লাস্টিক। এই ফিনিশের কারণে ফোনটি দেখতে বেশ মার্জিত লাগে এবং এতে সহজে আঙুলের ছাপ পড়ে না। বিশেষ করে “মেটালিক ব্ল্যাক” এবং “নিও টাইটানিয়াম” কালারগুলো আলোতে খুব সুন্দর আভা ছড়ায়। ক্যামেরা মডিউলটি ফোনের পেছনের অংশে একটি স্কয়ার বা বর্গাকার আইল্যানে বসানো হয়েছে, যা দেখতে অনেকটা দামী ফ্ল্যাগশিপ ফোনের মতো।
ইনফিনিক্স ক্যামেরা বাম্পের ডিজাইন এমনভাবে করেছে যা খুব একটা উঁচু নয়, ফলে টেবিলের ওপর রাখলে ফোনটি খুব বেশি নড়াচড়া করে না। ফোনের ফ্রেমটি ফ্ল্যাট বা সমতল, যা বর্তমান সময়ের ডিজাইনের সাথে তাল মিলিয়ে করা হয়েছে। ডান পাশে পাওয়ার বাটন এবং ভলিউম রকার বাটনগুলোর অবস্থান বেশ সুবিধাজনক।
পাওয়ার বাটনটি একই সাথে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর হিসেবে কাজ করে, যা এই বাজেটে একটি ভালো দিক। বাম পাশে সিম ট্রে রয়েছে, যেখানে দুটি সিম এবং একটি মেমোরি কার্ড একই সাথে ব্যবহার করা যাবে। নিচের অংশে টাইপ-সি চার্জিং পোর্ট, স্পিকার গ্রিল এবং ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক রয়েছে।
ওজনে হালকা হওয়ার কারণে দীর্ঘক্ষণ এক হাতে ব্যবহার করলেও কোনো ক্লান্তি অনুভূত হয় না। এছাড়া ইনফিনিক্স দাবি করেছে যে এই ফোনটি ৪৮ মাসের ফ্লুয়েন্সি পারফর্মেন্স দেবে এবং এটি আইপি ৫৪ রেটিং প্রাপ্ত, অর্থাৎ ধুলোবালি এবং হালকা পানির ছিটা থেকে ফোনটি সুরক্ষিত থাকবে।
ডিসপ্লে ও ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা এই বাজেটের ফোনে সাধারণত ৬০ বা ৯০ হার্টজ ডিসপ্লে দেখা যায়, কিন্তু Infinix Smart 9 এখানে বড় চমক দিয়েছে। এতে ব্যবহার করা হয়েছে ৬.৭ ইঞ্চির একটি বিশাল আইপিএস এলসিডি ডিসপ্লে, যা ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট করে। ১১-১২ হাজার টাকার ফোনে ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট পাওয়াটা সত্যিই অবিশ্বাস্য।
এর ফলে ইউজার ইন্টারফেস স্ক্রল করা, ফেসবুক ফিড দেখা বা অ্যাপ ড্রয়ার ওপেন করার অভিজ্ঞতা মাখনের মতো মসৃণ মনে হয়। ডিসপ্লের রেজোলিউশন এইচডি প্লাস (৭২০ x ১৬০০ পিক্সেল)। যদিও ফুল এইচডি হলে ভালো হতো, কিন্তু ব্যাটারি ব্যাকআপ এবং পারফর্মেন্স ঠিক রাখতে এই রেজোলিউশনটি মেনে নেওয়া যায়। ডিসপ্লের ব্রাইটনেস ৫০০ নিটস, যা ঘরের ভেতরে বা ছায়ায় ব্যবহারের জন্য পর্যাপ্ত। তবে কড়া রোদে ডিসপ্লে দেখতে ব্রাইটনেস ফুল করে রাখতে হতে পারে। ডিসপ্লের ওপরের দিকে পাঞ্চ-হোল কাটআউট রয়েছে, যা ফোনটিকে প্রিমিয়াম লুক দেয়।
ইনফিনিক্স তাদের “ডায়নামিক বার” ফিচারটি এখানেও রেখেছে। ফেস আনলক করা, চার্জে দেওয়া বা ব্যাকগ্রাউন্ড কল চলার সময় নচের আশেপাশে একটি সুন্দর অ্যানিমেশন তৈরি হয়, যা ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতায় নতুন মাত্রা যোগ করে। কালার রিপ্রোডাকশন এবং ভিউইং অ্যাঙ্গেল এই দামের ফোন হিসেবে বেশ সন্তোষজনক। ইউটিউবে ভিডিও দেখার সময় কালারগুলো বেশ পাচি এবং উজ্জ্বল দেখায়।
পারফর্মেন্স ও হার্ডওয়্যার Infinix Smart 9 এর পারফর্মেন্স নিশ্চিত করতে এতে ব্যবহার করা হয়েছে মিডিয়াটেক হেলিও জি৮১ (Helio G81) চিপসেট। এটি একটি অক্টা-কোর প্রসেসর যা মূলত এন্ট্রি লেভেল ডিভাইসের জন্য অপ্টিমাইজ করা হয়েছে। দৈনন্দিন সাধারণ কাজগুলো সামলানোর জন্য এই প্রসেসরটি যথেষ্ট। সোশ্যাল মিডিয়া ব্রাউজিং, ইউটিউব স্ট্রিমিং, অনলাইন ক্লাস বা সাধারণ অ্যাপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে ফোনটি বেশ রেস্পন্সিভ।
এর সাথে রয়েছে ৩ জিবি বা ৪ জিবি র্যাম এবং ৬৪ জিবি বা ১২৮ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ। ভার্চুয়াল র্যাম প্রযুক্তির মাধ্যমে র্যাম আরও ৪ জিবি পর্যন্ত বাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব, যা মাল্টিটাস্কিংয়ের সময় অ্যাপ রিলোড হওয়া কমায়। তবে গেমিংয়ের ক্ষেত্রে এই ফোনটি থেকে খুব বেশি কিছু আশা করা ঠিক হবে না। এটি কোনো গেমিং ফোন নয়।
ফ্রি ফায়ার বা পাবজির মতো গেমগুলো লো বা ব্যালেন্সড সেটিংসে খেলা সম্ভব, কিন্তু হাই গ্রাফিক্স বা হাই ফ্রেম রেটে খেলতে গেলে ল্যাগ বা ফ্রেম ড্রপ দেখা দিতে পারে। তবে সাবওয়ে সার্ফার, ক্যান্ডি ক্রাশ বা লুডুর মতো ক্যাজুয়াল গেমগুলো এতে খুব সুন্দরভাবে চলে। দীর্ঘক্ষণ গেম খেললে বা ভিডিও দেখলে ফোনটি সামান্য গরম হতে পারে, যা প্লাস্টিক বডি হওয়ার কারণে খুব একটা হাতে লাগে না। ইনফিনিক্সের দাবি অনুযায়ী, সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশনের কারণে ফোনটি দীর্ঘ সময় ধরে ল্যাগ-ফ্রি থাকবে।
সফটওয়্যার ও ইউজার ইন্টারফেস ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড ১৪ গো এডিশন (Go Edition) ভিত্তিক এক্সওএস ১৪ (XOS 14) ইন্টারফেসে চলে। গো এডিশন হওয়ার কারণে অপারেটিং সিস্টেমটি বেশ হালকা এবং কম র্যাম ও প্রসেসরেও খুব দ্রুত কাজ করে। গুগল গো অ্যাপগুলো (যেমন—ইউটিউব গো, গুগল গো) প্রি-ইনস্টল করা থাকে, যা ডেটা এবং স্টোরেজ বাঁচাতে সাহায্য করে। এক্সওএস ইন্টারফেসে প্রচুর কাস্টমাইজেশন অপশন রয়েছে। থিম স্টোর থেকে আপনি পছন্দমতো থিম এবং ওয়ালপেপার ডাউনলোড করতে পারবেন।
এছাড়াও স্মার্ট প্যানেল, জেশ্চার নেভিগেশন এবং গেম মোডের মতো ফিচারগুলো ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে সহজ করে তোলে। তবে ইনফিনিক্সের ফোনে একটি সাধারণ সমস্যা হলো ব্লোটওয়্যার বা প্রি-ইনস্টল করা অ্যাপ। ফোনটি প্রথমবার চালু করার পর বেশ কিছু অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ দেখা যায়, যা মাঝেমধ্যে নোটিফিকেশন পাঠিয়ে বিরক্ত করতে পারে। তবে এর মধ্যে অনেকগুলো অ্যাপ আনইনস্টল বা ডিসএবল করার সুযোগ রয়েছে। ইনফিনিক্স সফটওয়্যার আপডেটের বিষয়ে এখন আগের চেয়ে বেশি সচেতন, তাই নিয়মিত সিকিউরিটি প্যাচ পাওয়ার আশা করা যায়।
ক্যামেরা সেকশন বাজেট ফোনের ক্যামেরা নিয়ে সাধারণত খুব বেশি উচ্চাশা থাকে না, তবে Infinix Smart 9 এখানে গড়পড়তা ভালো পারফর্মেন্স দেয়। ফোনের পেছনে রয়েছে ১৩ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা এবং একটি সেকেন্ডারি অক্সিলারি লেন্স। দিনের পর্যাপ্ত আলোতে প্রধান ক্যামেরা দিয়ে তোলা ছবিগুলো বেশ পরিষ্কার এবং ডিটেইলড হয়।
ইনফিনিক্সের কালার সায়েন্স ছবিগুলোকে কিছুটা বুস্ট করে, ফলে ছবিগুলো দেখতে বেশ আকর্ষণীয় এবং ভাইব্রেন্ট লাগে। এইচডিআর মোড অন থাকলে ছবির ডাইনামিক রেঞ্জ কিছুটা ভালো পাওয়া যায়। তবে জুম করলে ছবির কোয়ালিটি কমে যায় এবং নয়েজ দেখা যায়। কম আলোতে বা রাতে ছবি তোলার সময় ক্যামেরার সীমাবদ্ধতা বোঝা যায়। ছবিতে গ্রেইন ভাব থাকে এবং ফোকাস করতে কিছুটা সময় নেয়।
নাইট মোড ব্যবহার করলে ছবি কিছুটা উজ্জ্বল হয়, তবে তা খুব আহামরি কিছু নয়। রিং-এলইডি ফ্ল্যাশলাইটটি অন্ধকারে ছবি তুলতে সাহায্য করে। সেলফি তোলার জন্য সামনে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। সামনে ফ্ল্যাশলাইট থাকার কারণে অন্ধকারেও মোটামুটি ভালো সেলফি তোলা সম্ভব। ভিডিও কল বা সাধারণ সেলফির জন্য এটি যথেষ্ট। ভিডিও রেকর্ডিংয়ের ক্ষেত্রে এটি ১০৮০পি ৩০ এফপিএস সাপোর্ট করে। ভিডিওতে কোনো স্ট্যাবিলাইজেশন নেই, তাই হাঁটার সময় ভিডিও করলে ফুটেজ কাঁপতে পারে।
ব্যাটারি ও চার্জিং ব্যাটারি লাইফের দিক থেকে Infinix Smart 9 একটি পাওয়ার হাউস। এতে রয়েছে ৫০০০ এমএএইচ এর বিশাল ব্যাটারি। এন্ট্রি লেভেল প্রসেসর এবং এইচডি প্লাস ডিসপ্লে হওয়ার কারণে ব্যাটারি খরচ খুব কম হয়। সাধারণ ব্যবহারে এক চার্জে অনায়াসেই দেড় থেকে দুই দিন পার করে দেওয়া সম্ভব।
যারা খুব বেশি ফোন ব্যবহার করেন না, তাদের ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি সময় যেতে পারে। টানা ভিডিও দেখা বা ইন্টারনেট ব্রাউজিং করলেও দিন শেষে ২০-৩০ শতাংশ চার্জ অবশিষ্ট থাকে। ফোনটি চার্জ করার জন্য বক্সে ১০ ওয়াটের চার্জার দেওয়া হয়েছে। বিশাল ব্যাটারি পূর্ণ চার্জ হতে প্রায় ৩ ঘণ্টার মতো সময় লাগতে পারে। বর্তমান ফাস্ট চার্জিংয়ের যুগে এটি কিছুটা ধীর মনে হতে পারে, তবে টাইপ-সি পোর্ট থাকায় চার্জিং ক্যাবল নিয়ে কোনো ঝামেলা নেই।
অডিও ও কানেক্টিভিটি ফোনটিতে ডুয়েল স্টেরিও স্পিকার রয়েছে, যা এই বাজেটে একটি বড় প্লাস পয়েন্ট। ইনফিনিক্স দাবি করে এটি ৩০০% পর্যন্ত ভলিউম বুস্ট করতে পারে। স্পিকারের সাউন্ড বেশ লাউড এবং ক্লিয়ার। গান শোনা বা মুভি দেখার সময় বেশ ভালো অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। ৩.৫ মিমি জ্যাক থাকায় আপনি যেকোনো সাধারণ ইয়ারফোন ব্যবহার করতে পারবেন।
কানেক্টিভিটির জন্য এতে ডুয়েল সিম ৪জি সাপোর্ট, ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ এবং জিপিএস সুবিধা রয়েছে। এফএম রেডিও চালানোর জন্য ইয়ারফোন কানেক্ট করার প্রয়োজন হতে পারে। কল কোয়ালিটি বেশ পরিষ্কার এবং নেটওয়ার্ক রিসিপশন শক্তিশালী। ভোএলটিই (VoLTE) সুবিধা থাকায় কথা বলার সময় স্পষ্ট আওয়াজ পাওয়া যায়।
নিরাপত্তা ও অন্যান্য নিরাপত্তার জন্য এতে সাইড মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর রয়েছে, যা পাওয়ার বাটনের সাথে যুক্ত। সেন্সরটি বেশ ফাস্ট এবং একুরেট। আঙুল ছোঁয়ানোর সাথে সাথেই ফোন আনলক হয়ে যায়। এছাড়া ফেস আনলক সুবিধাও রয়েছে, যা দিনের আলোতে ভালো কাজ করে কিন্তু অন্ধকারে কিছুটা সময় নিতে পারে। ওটিজি সাপোর্ট থাকায় পেনড্রাইভ কানেক্ট করা যাবে।
সব মিলিয়ে, Infinix Smart 9 তাদের জন্য একটি আদর্শ ফোন যারা খুব কম বাজেটে একটি স্টাইলিশ এবং আপ-টু-ডেট ডিভাইস খুঁজছেন।
বিশেষ করে এর ১২০ হার্টজ ডিসপ্লে এবং ৫০০০ এমএএইচ ব্যাটারি একে বাজারের অন্যান্য ফোন থেকে আলাদা করেছে। যদিও চার্জিং স্পিড এবং ক্যামেরা পারফর্মেন্সে কিছুটা উন্নতি করার সুযোগ ছিল, তবুও ১১-১২ হাজার টাকা বাজেটে এর চেয়ে বেশি কিছু আশা করা কঠিন। শিক্ষার্থী, বয়স্ক মানুষ অথবা যারা সেকেন্ডারি ফোন হিসেবে একটি স্মার্টফোন খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি একটি নির্ভরযোগ্য সঙ্গী হতে পারে।