সরকার নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের পথে অগ্রসর হচ্ছে, যা আগামী জুলাই মাস থেকে কার্যকর হতে পারে বলে জোরালোভাবে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এই যুগান্তকারী পদক্ষেপের ফলে শুধু সরকারি চাকরিজীবীরাই নন, দেশের পেনশনভোগীরাও এর সুদূরপ্রসারী সুফল ভোগ করবেন। প্রস্তাবিত এই কাঠামোতে পেনশনভোগীদের ভাতা ও মাসিক পেনশন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধির পাশাপাশি একটি নতুন চিকিৎসা ভাতা চালুরও সুপারিশ করা হয়েছে।
দায়িত্বশীল সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, যেসব পেনশনভোগীর বর্তমান মাসিক পেনশন বিশ হাজার টাকার কম, তাদের ক্ষেত্রে পেনশন প্রায় শতভাগ পর্যন্ত বাড়তে পারে। অন্যদিকে, বিশ হাজার থেকে চল্লিশ হাজার টাকার মধ্যে পেনশনপ্রাপ্তদের জন্য এই বৃদ্ধির হার সর্বোচ্চ পঁচাত্তর শতাংশে পৌঁছাতে পারে। তবে, চল্লিশ হাজার টাকার বেশি পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত বৃদ্ধি প্রায় পঞ্চান্ন শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে বলে জানা গেছে।
এছাড়াও, নতুন পে-স্কেলে পেনশনভোগীদের জন্য একটি স্বতন্ত্র চিকিৎসা ভাতা চালুর প্রস্তাব রাখা হয়েছে, যা তাদের দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যসেবায় সহায়ক হবে। প্রস্তাবনা অনুসারে, পঁচাত্তর বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সীদের জন্য মাসিক দশ হাজার টাকা, পঁচান্ন থেকে চুয়াত্তর বছর বয়সীদের জন্য আট হাজার টাকা এবং পঁচান্ন বছরের নিচে বয়সীদের জন্য পাঁচ হাজার টাকা চিকিৎসা ভাতা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে।