সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফেরাতে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার

সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। তিনি জানান, এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
হুমায়ুন কবির আরও বলেন, বেনজীর আহমেদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বরাষ্ট্র অথবা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বেনজীর আহমেদের জামিন লাভ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, এ বিষয়ে তার কাছে সাম্প্রতিক কোনো হালনাগাদ তথ্য নেই। এ সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্যের জন্য তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন।
এর আগে বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে জানা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে দুবাই পুলিশের সহযোগিতায় এবং ইন্টারপোলের সমন্বয়ে বেনজীর আহমেদকে আটক করা হয়েছিল। পরবর্তীতে গত ২৭ জুলাই দুবাইয়ের একটি আদালত শর্তসাপেক্ষে তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে তিনি মুক্তি পান। ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশের মহাপরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে তদন্ত শুরু করে দুদক। আদালতের নির্দেশনায় তার বিরুদ্ধে জারি করা হয় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা।
পররাষ্ট্রনীতির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির জানান, সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ মানেই ইরানের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া নয়। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের পর যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের বাংলাদেশ সফর দেশের ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতিরই উজ্জ্বল প্রতিফলন।
