যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা ভিসার আবেদনের শর্ত কঠোর করল মার্কিন দূতাবাস

যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ভিসা প্রত্যাশী বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস। গত ২৫ জুলাই দূতাবাসের পক্ষ থেকে ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বার্তায় জানানো হয়েছে, এখন থেকে বি-২ শ্রেণিভুক্ত চিকিৎসা ভিসার আবেদনকারীদের কঠোর আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ দাখিল করতে হবে। মূলত যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের ওপর যেন কোনো বাড়তি আর্থিক বোঝা না চাপে, তা নিশ্চিত করতেই এই নতুন নীতিমালা কার্যকর করা হচ্ছে।
নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, আবেদনকারীকে চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে নিজ দেশের চিকিৎসকের বিস্তারিত ব্যবস্থাপত্র জমা দিতে হবে। কেন দেশের বাইরের উন্নত চিকিৎসাব্যবস্থা প্রয়োজন, তার যৌক্তিক কারণ স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের কোনো হাসপাতাল বা নিবন্ধিত চিকিৎসকের কাছ থেকে সরাসরি সম্মতিপত্র সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যেখানে চিকিৎসার সম্ভাব্য মেয়াদ ও ব্যয়ের একটি প্রাক্কলিত হিসাব থাকতে হবে।
দূতাবাস জানিয়েছে, কনস্যুলার কর্মকর্তারা প্রতিটি আবেদন অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই-বাছাই করবেন। শুধুমাত্র ব্যবস্থাপত্র থাকলেই চলবে না, বরং আবেদনকারীকে তার যাতায়াত, থাকা-খাওয়া এবং চিকিৎসার সম্পূর্ণ খরচ বহনে যে পর্যাপ্ত আর্থিক সামর্থ্য রয়েছে, তার অকাট্য প্রমাণাদিও দাখিল করতে হবে।
উল্লেখ্য, ভিসা প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপেই আবেদনকারীর আর্থিক স্বচ্ছলতা এবং যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য যাচাই করা হবে। বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলেও কূটনৈতিক সম্পর্কের অংশ হিসেবে ভিসা সংক্রান্ত এই স্বচ্ছতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আবেদনকারীদের নির্ভুল ও সত্য তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস।