চট্টগ্রামে সিএনজি অটোরিকশার শৃঙ্খলা ফেরাতে সিএমপির কঠোর নির্দেশনা

চট্টগ্রাম মহানগরীতে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা ও তীব্র যানজট নিরসনের লক্ষ্যে কঠোর অবস্থান নিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। গত ১৭ জুলাই শুক্রবার বিকেলে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, ওভারব্রিজ ও যানবাহনের টুলবক্সে ব্যানার ও ফেস্টুন টাঙিয়ে বিশেষ পাঁচ দফা নির্দেশনা প্রচার করেছেন।
সিএমপির ট্রাফিক-বন্দর বিভাগ জানিয়েছে, পুলিশের নাম ভাঙিয়ে কোনো অটোরিকশায় টোকেন বাণিজ্য করার সুযোগ নেই। এই ধরণের টোকেন বিক্রির সঙ্গে কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কোনো চালককে টোকেন প্রদর্শন করতে দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে সেই গাড়ি আটক করা হবে। চালকদের সতর্ক করে বলা হয়েছে, অটোরিকশা চলাচলের জন্য কোনো টোকেন গ্রহণ না করতে, কারণ এগুলোর সাথে পুলিশের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে যত্রতত্র অটোরিকশা পার্কিংয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এখন থেকে যাত্রী ওঠানামার জন্য নির্ধারিত স্থানের বাইরে কোথাও গাড়ি পার্কিং করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে ট্রাফিক পুলিশ সংশ্লিষ্ট গাড়িটি আটক করবে। এছাড়া অনিয়ন্ত্রিত যান চলাচল রোধে গ্রাম থেকে আসা সিএনজি অটোরিকশা এবং ‘অনটেস্ট’ স্ট্যাটাসের অটোরিকশাগুলো মহানগরীর ভেতরে চলাচল করতে পারবে না। গাড়ির প্রয়োজনীয় হালনাগাদ কাগজপত্র প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হলেও গাড়ি আটকের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সিএমপি।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মূল সড়কে প্রবেশ, উল্টো পথে চলাচল এবং সেতুতে ওঠার ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। এসব নির্দেশনার ব্যত্যয় ঘটলে কিংবা নিয়ম অমান্য করলে গাড়ি আটকসহ আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ট্রাফিক-বন্দর বিভাগ। তারেক রহমানের নির্দেশনায় গঠিত সরকারের অধীনস্থ এই সংস্থাটি নগরবাসীর ভোগান্তি কমাতে এমন কঠোর পদক্ষেপকে অপরিহার্য বলে মনে করছে।
