AdvertisementAdvertisement

নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ মাহদী আমিন

দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক প্রত্যাশা পূরণ এবং জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণে বর্তমান সরকার নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) আয়োজিত ‘ফল উৎসব-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন। তিনি উল্লেখ করেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রতিটি মন্ত্রণালয় সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সচেষ্ট রয়েছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ড. মাহদী আমিন ১৬ জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ আবু সাঈদ ও ওয়াসিম আকরামসহ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে আত্মদানকারী সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাসের মধ্যেই সরকার নির্বাচনি অঙ্গীকার পূরণের পথে অনেকটা এগিয়েছে। জাতীয় ঐক্য সুসংহত করে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে একটি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনই সরকারের মূল লক্ষ্য।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

ড. মাহদী আমিন আরও বলেন, গত ১৬ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অমানবিক নির্যাতন, গুম ও হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। সেই কঠিন সময় পাড়ি দিয়ে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সরকার গঠন করা দলটি এখন সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে দেশ সেবায় আত্মনিয়োগ করেছে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও দেশপ্রেম ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রশ্নে সবাইকে জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

বাকস্বাধীনতার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে দেশে গণমাধ্যমের ব্যাপক বিকাশ ঘটেছিল এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত ছিল। সাংবাদিকদের জাতির দর্পণ হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে গণমাধ্যম যে সাহসিকতা দেখিয়েছে, বর্তমান গণতান্ত্রিক পরিবেশে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারের ধারা যেন অব্যাহত থাকে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজউকের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম। ডিআরইউ সভাপতি সংগঠনের নতুন ভবন নির্মাণের জন্য জমি বরাদ্দের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন। একইসঙ্গে সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে গণমাধ্যমের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি এবং সাংবাদিকদের কল্যাণে দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা গ্রহণের দাবি জানান।

0%
0%
0%
0%