ছোটবেলা থেকেই নিজের অস্তিত্বের শেকড় খুঁজতে খুঁজতে ক্লান্ত এক তরুণী ছুটি। অনাথ আশ্রমের চার দেয়ালের ভেতর বেড়ে ওঠা ছুটির মনে আজও ভিড় করে জন্মপরিচয় জানার তীব্র আকুলতা। জীবনের স্রোত তাকে অন্য ঠিকানায় নিয়ে গেলেও স্মৃতির ক্যানভাস থেকে মুছে যায়নি অতীতের দিনগুলো। আগামী ১২ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর স্টার জলসার পর্দায় সম্প্রচারিত হতে যাওয়া বিশেষ এই এপিসোডগুলোতে দর্শকদের জন্য অপেক্ষা করছে টানটান উত্তেজনার এক ভিন্নমাত্রা।
অন্যদিকে, অভির জীবনটাও যেন এক অমীমাংসিত রহস্যের বেড়াজাল। ছুটির খুব কাছাকাছি থেকেও সে আজও চিনতে পারেনি তার শৈশবের প্রিয় মানুষটিকে। সত্যের ঠিক মুখোমুখি দাঁড়িয়েও বারবার ধোঁয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে যায় সব সত্যি। এরই মাঝে বহু বছর পর অলৌকিকভাবে ছুটির জীবনে ফিরে এসেছে তার জন্মদাত্রী মা, যিনি কিছুদিন আগেই নিজের রক্ত দিয়ে বাঁচিয়েছেন মেয়ের প্রাণ।
তবে গল্পের মোড় ঘুরে যায় যখন ছুটির জন্মপরিচয় চিরতরে লুকিয়ে ফেলতে ময়দানে নামে ঝুমকি। ছুটির ছোটবেলার একটি জামা ধ্বংস করে দেওয়ার পরিকল্পনা করলেও ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে সেই জামাটি এসে পৌঁছায় ছুটির মায়ের হাতে। মাতৃহারার বুকের ধনকে বুকে টেনে নেওয়ার আকুতি যেন প্রতিভাত হয় সেই ছোট্ট পোশাকটিতে। মায়ের হাত ঘুরে সেই স্মৃতিবিজড়িত জামাটি একসময় এসে পৌঁছায় ছুটির কাছে।
স্মৃতির মণিকোঠায় থাকা সেই জামা এক নজরে চিনে ফেলে ছুটি এবং সযত্নে তুলে রাখে তার আলমারির অন্দরে। কিন্তু নিয়তির খেলায় জামাটি থেকে একটি বেল্ট মাটিতে পড়ে গেলে তা নজর এড়ায় না অভির। শৈশবের বন্ধুর সেই চেনা বেল্ট ও জামা এক পলকেই চিনে ফেলে অভিও। তাহলে কি দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে নিজের আসল পরিচয় জানতে পারবে ছুটি? অভিও কি খুঁজে পাবে তার হারিয়ে যাওয়া বাল্যবন্ধুকে? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর মিলবে আগামী ১২ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর স্টার জলসার বিশেষ পর্বগুলোতে।