কুড়ি বছরের পথচলা চঞ্চল চৌধুরীর দাম্পত্য জীবনের রোমান্টিক আখ্যান

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী ও তাঁর সহধর্মিণী শান্তার দাম্পত্য জীবনের কুড়িটি বসন্ত পার হলো। গত ২৮ আগস্ট আড়ম্বরের চেয়েও বেশি আন্তরিকতায় নিজেদের বিবাহবার্ষিকী উদযাপন করলেন এই তারকা দম্পতি। দীর্ঘ দুই দশকের এই পথচলায় নিজেদের সম্পর্কের অজানা কিছু মধুর অধ্যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন অভিনেতা।
অভিনেতার ভাষ্যমতে, তাঁদের সম্পর্কের সূত্রপাত হয়েছিল মুঠোফোনের এক কাকতালীয় কথোপকথন থেকে। অপরিচিতা এক নারী পরিচয় দিয়ে বলেছিলেন তিনি চঞ্চল চৌধুরীর অভিনয়ের ভক্ত। কিন্তু চঞ্চল চৌধুরী তখনই বুঝে গিয়েছিলেন, অপর প্রান্তে থাকা মানুষটি কেবল তাঁর অভিনয়ের প্রশংসক নন, বরং হৃদয়ের গহীনে এক গভীর অনুরাগের জন্ম দিয়েছেন। এরপর সেই অনুরাগই রূপ নেয় দীর্ঘস্থায়ী এক বন্ধনে।
পুরানো দিনের স্মৃতিচারণ করে চঞ্চল চৌধুরী জানান, অনেকটা সিনেমার গল্পের মতোই মুঠোফোনে হবু স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন তিনি। দুই পরিবারের সম্মতিতে আইনি ও সামাজিক আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে শুরু হয় তাঁদের নতুন জীবন। শান্তা এবং তাঁদের একমাত্র সন্তান শুদ্ধকে নিয়ে সাজানো এই সংসার নিয়ে চঞ্চল বরাবরই অত্যন্ত আবেগপ্রবণ।
বিবাহবার্ষিকীর এই বিশেষ দিনে স্ত্রীকে নিয়ে কেক কাটার একটি ছবি পোস্ট করে চঞ্চল চৌধুরী ভক্তদের কাছে আশীর্বাদ চেয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, কাজের ব্যস্ততার ভিড়ে অন্য সময় স্ত্রী অনেক আবদার না করলেও, কুড়ি বছরের এই বিশেষ ক্ষণে তাঁর একমাত্র চাওয়া আগামী দিনগুলো যেন তাঁরা এভাবেই একে অপরের হাত ধরে সুখের সঙ্গে কাটিয়ে দিতে পারেন।
বরাবরের মতোই নম্রতা এবং অসামান্য অভিনয়শৈলী দিয়ে দর্শকহৃদয় জয় করে নেওয়া এই অভিনেতার পারিবারিক জীবনের এই সুন্দর গল্প মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়েছে নেটপাড়ায়। অনুরাগীরা শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন এই জুটিকে, আর সেই সঙ্গে প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন দম্পতির অটুট বন্ধন দেখে।
