চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় প্রতিবেশীর সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডার জেরে বাঁশের আঘাতে গুরুতর আহত ফরিদুল ইসলাম (৪্যেষ্ঠ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। সোমবার ভোররাতে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত ফরিদুল ইসলাম উপজেলার সীমান্তবর্তী পীরপুরকুল্লা গ্রামের আবু হোসেন চৌকিদারের ছেলে এবং ঘটনাটি সীমান্তবর্তী কুল্লা গ্রামে ঘটে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, রবিবার সন্ধ্যায় কাপড়ের নেকড়া বা ছেঁড়া কাপড় ফেলা নিয়ে প্রতিবেশী দুলালের সঙ্গে ফরিদুলের বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে এবং সে সময় দুলাল ক্ষিপ্ত হয়ে বাঁশ দিয়ে ফরিদুল ইসলামের মাথায় সজোরে আঘাত করেন।
এই আকস্মিক আঘাতে ফরিদুল ইসলাম ঘটনাস্থলেই গুরুতরভাবে আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।
পরে রাতেই তাকে রাজশাহী নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোররাতে তার মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দিন জানান যে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং আইনগত কার্যক্রম বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবার দ্রুত আসামির গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।