তিলকের রূপকথার ইনিংসে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ভারত তুলে নিল দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি জয়

ক্রাইস্টচার্চে টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত। তিলক ভার্মার দুর্দান্ত দায়িত্বশীল ব্যাটিং এবং নীতীশ রেড্ডির সঙ্গে তাঁর অবিস্মরণীয় জুটিতে ভর করে ১ বল বাকি থাকতেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে যায় সফরকারীরা। মিচেল স্যান্টনারের বিধ্বংসী বোলিংয়ের সুবাদে কিউইরা ম্যাচে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করলেও শেষ পর্যন্ত তিলকের দৃঢ়তায় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ভারত।

টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় অধিনায়ক শ্রেয়াস আয়ার। ম্যাচের শুরুতেই ভুবনেশ্বর কুমার ও প্রিন্স যাদবের চমৎকার বোলিংয়ে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। প্রথম ছয় ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে ৬ কি রান তোলে তারা। তবে গ্লেন ফিলিপসের দুর্দান্ত ফিফটি এবং বেভন জ্যাকবসের সঙ্গে তাঁর শতরানের জুটির ওপর ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৮০ রানের লড়াকু পুঁজি গড়ে তোলে নিউজিল্যান্ড। ফিলিপস ৭০ এবং জ্যাকবস ৫৮ রান করেন। ভারতের পক্ষে অর্শদীপ সিং ২টি উইকেট শিকার করেন।

টার্গেট তাড়ায় নেমে ম্যাট হেনরির করা মেডেন ওভারের সুবাদে দারুণ সূচনা করে কিউইরা। অভিষেক শর্মা ও সানজু স্যামসন দ্রুত বিদায় নিলে চাপে পড়ে ভারত। একাদশে ফেরা বৈভব সূর্যবংশীও মাত্র ৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন। এরপর বল হাতে ভেলকি দেখান নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। মাত্র ২১ রান খরচ করে তিনি তুলে নেন ৪টি উইকেট। শ্রেয়াস আয়ার, অক্ষর প্যাটেল এবং বিপজ্জনক হয়ে ওঠা নামন ধীরকে সাজঘরে ফিরিয়ে ম্যাচ কিউইদের মুঠোয় এনে দেন স্যান্টনার।

শেষ তিন ওভারে ভারতের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৪৬ রান। ক্রিজে টিকে থাকা একমাত্র স্বীকৃত জুটি হিসেবে দলের সমস্ত দায়িত্ব তখন তিলক ভার্মা এবং নীতীশ রেড্ডির কাঁধে। নাথান স্মিথের করা ১৯তম ওভারে তিনটি চার ও একটি ছক্কার সাহায্যে ১৮ রান তুলে ম্যাচের গতিপথ ঘুরিয়ে দেন তিলক। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১১ রান দরকার হলে, তিলক একপ্রান্তে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে নিজের হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এবং নীতীশের সঙ্গে জুটি বেঁধে ১৯ দশমিক ৫ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮১ রান সংগ্রহ করে দলের রোমাঞ্চকর জয় নিশ্চিত করেন।

০%
০%
০%
০%