গোলাপগঞ্জে মোটরসাইকেল চুরির সন্দেহে পুলিশ কনস্টেবল আটক

সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার হেতিমগঞ্জ বাজারে মোটরসাইকেল চুরির সন্দেহে মুরসালিন নামের এক পুলিশ কনস্টেবলকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় জনতা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। আটকের সময় মুরসালিনের সঙ্গে থাকা ওলিউর ইসলাম নামের আরেক ব্যক্তিকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, মুরসালিন মোটরসাইকেল কেনার কথা বলে হেতিমগঞ্জ বাজারে আসেন। পরে একটি মোটরসাইকেল চালিয়ে দেখার অজুহাতে সেটি নিয়ে দ্রুত সটকে পড়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়দের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। ধাওয়া করে তাকে আটক করার পর তিনি নিজেকে পুলিশ সদস্য হিসেবে পরিচয় দিলেও পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং শেষ পর্যন্ত তাকে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
অন্যদিকে, ঘটনার সময় উপস্থিত থাকা ওলিউর ইসলাম নিজেকে মুরসালিনের দাদা হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তার দাবি, মোটরসাইকেল কেনার উদ্দেশ্যেই তারা বাজারে এসেছিলেন। তবে ওলিউর ইসলামের কথাবার্তা ও আচরণে অসংলগ্নতা থাকায় পুলিশ তাকেও জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় এনেছে।
এদিকে, অভিযুক্ত মুরসালিন দাবি করেছেন যে তিনি মোটরসাইকেলটি কেনার উদ্দেশ্যেই পরীক্ষা করছিলেন এবং স্থানীয়রা তাকে ভুল বুঝে মারধর করেছেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মুরসালিন সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাসিন্দা এবং তিনি সিলেটের বিয়ানীবাজার থানায় কর্মরত থাকলেও নির্ধারিত ছুটি শেষে কর্মস্থলে যোগদান করেননি।
গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, পুরো বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মোটরসাইকেল চুরির চেষ্টা নাকি নিছক ভুল বোঝাবুঝি, তা নিশ্চিত হতে ওলিউর ইসলামসহ সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
