রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যায় সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচারের প্রতিশ্রুতি নতুন পুলিশ কমিশনারের

রংপুর মহানগরীর দাসপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাসভবনে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত অভিযোগপত্র দাখিল করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর পুলিশ প্রশাসন। শুক্রবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের নবনিযুক্ত কমিশনার মাহবুবুর রশীদ সাংবাদিকদের এসব কথা জানান। তিনি জানান, পুলিশের দক্ষ দল অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে এই মামলার তদন্ত কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
মাদকের বিস্তার রোধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে পুলিশ কমিশনার বলেন, মাদক কেবল রংপুরের নয়, বরং এটি পুরো বাংলাদেশের একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে মাদকের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও কঠোর আইনি পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হবে। নগরবাসীকে সঙ্গে নিয়ে রংপুরকে একটি শান্ত ও নিরাপদ শহরে রূপান্তর করাই এখন পুলিশের মূল লক্ষ্য।
উল্লেখ্য, গত শনিবার রাতে নগরীর ওই বাসভবন থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা, কন্যা আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী পুত্র আয়ুস চক্রবর্তীর নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্ত ও প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে যে, শ্বাসরোধ করেই এই চারজনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার সূত্র ধরে কানু দাসের পুত্র মুগ্ধ দাস ও বিনয় দাসের পুত্র সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্থানীয়রা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে দোষীদের দ্রুততম সময়ে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
