ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে শিবির নেতা জিসান

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার বীরবাগ গ্রামের বাসিন্দা ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক জিসান মিয়াকে দুই দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার বিকেলে কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত-৩ এর বিচারক তৈয়ব উদ্দিন আহমেদ এ আদেশ প্রদান করেন। এর আগে রিমান্ড শেষে পুলিশ তাকে আদালতে হাজির করলে বিচারক তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং পরবর্তী কোনো আবেদন না থাকায় তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রিমান্ডে থাকা অবস্থায় অভিযুক্ত জিসানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এ বিষয়ে কোনো তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এর আগে গত রোববার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জিসানের আট দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।
অভিযুক্ত জিসান শিবিরের কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত ১২ জুন শুক্রবার রাতে জেলার লাকসাম রেলওয়ে জংশন এলাকা থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। একই রাতে ভুক্তভোগী এক নারী বাদী হয়ে জিসানকে প্রধান আসামি করে এবং ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগে আরও তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
মামলার অপর তিন আসামি হলেন সেকান্দর আলী, গোলাম রাব্বী ও সজীব হাসান। এর আগে মঙ্গলবার শুনানিকালে আদালত জিসানের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। এ ঘটনায় স্থানীয়রা ও ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
