রৌমারী সীমান্তে বিএসএফের পুশইন করা চারজনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের মাধ্যমে জোরপূর্বক পুশইনের শিকার হওয়া শিশুসহ চারজন বাংলাদেশিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাওসার আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বেলাল হোসেন, তার স্ত্রী সুমি আক্তার এবং তাদের দুই শিশুকন্যা ফাইমা ও ফাতেমা আক্তার রয়েছেন।
এর আগে বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে মানবিক বিবেচনায় তাদের বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তী সময়ে আইনি প্রক্রিয়া ও পরিচয় যাচাই-বাছাই শেষে রাতেই তাদের পরিবারের জিম্মায় তুলে দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য যে, গত ১৪ জুন ভোরে আসাম রাজ্যের দক্ষিণ সালমারা মানকারচর জেলার বিএসএফ সদস্যরা শিশুসহ বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিককে জোরপূর্বক পুশইনের চেষ্টা চালালে বিজিবি ও স্থানীয় জনতার বাধার মুখে তারা সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকা পড়েন। পরবর্তীতে বিভিন্ন দফায় মোট নয়জন বাংলাদেশি নাগরিককে পুশইনের চেষ্টা করা হলে স্থানীয়ভাবে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় এখনো বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাতের মধ্যে নোম্যান্স ল্যান্ডে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে স্থানীয় ইউপি সদস্য সোনা মিয়া জানিয়েছেন। এ পরিস্থিতির দ্রুত অবসান এবং আটকে পড়া বাকি ভুক্তভোগীদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
