AdvertisementAdvertisement

রায়পুরায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে তিন জন হয়েছে মামলায় অভিযুক্ত ৮০ জন

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে তিনজনে দাঁড়িয়েছে। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার হরিপুর গ্রাম সংলগ্ন মেঘনা নদী থেকে লতিফ মোল্লা নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধারের পর এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। নিহত লতিফ উপজেলার বীরগাঁও গ্রামের কান্দাপাড়া এলাকার শহীদ মিয়ার ছেলে এবং তিনি সম্প্রতি মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরেছিলেন।

এর আগে মঙ্গলবার ভোরে নিলক্ষা ইউনিয়নের হরিপুর ও দড়িগাঁও গ্রামের নাজিম উদ্দিন ও আলাল মুন্সি গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। টেঁটা, দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে কয়েক ঘণ্টাব্যাপী চলা এই ভয়াবহ সংঘর্ষে এলাকাটি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কিছু বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। এতে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয়রা বেশ কিছু যুবককে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও হেলমেট পরিহিত অবস্থায় আগ্নেয়াস্ত্র হাতে মহড়া দিতে দেখেন।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

সংঘর্ষের ঘটনায় প্রথম দিন অনিক মিয়া নামে এক যুবক নিহত হন এবং পরদিন বুধবার কাউসার আহমেদ নামের আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সর্বশেষ লতিফ মোল্লার মরদেহ উদ্ধারের ফলে নিহতের সংখ্যা তিনে পৌঁছাল। এছাড়া অনিক মিয়াসহ রাজু, সুমন, কাশেম ও মোবারক হোসেনসহ অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

এ ঘটনায় নিহতের মা নাসিমা খাতুন বাদী হয়ে থানায় ৩০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এমন নৃশংস ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং স্থানীয়রাসহ নিহতের স্বজনরা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

Advertisement
বিজ্ঞাপন
0%
0%
0%
0%