AdvertisementAdvertisement

সুনামগঞ্জে কোচিং বণ্টনের প্রতিবাদ করায় চাকরি হারালেন প্রভাষক

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বেতগঞ্জ বাজার এলাকার আলহাজ্ব জামসেদ-আছিয়া মহাবিদ্যালয়ে কোচিং ক্লাস বণ্টন নিয়ে বৈষম্যের প্রতিবাদ করায় বাংলা বিভাগের প্রভাষক হাসিনা হাসনাতকে চাকরিচ্যুত করার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার সকাল ১১টায় সুনামগঞ্জ পৌরবিপণী মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ উত্থাপন করেন ভুক্তভোগী ওই শিক্ষিকা।

হাসিনা হাসনাত তার লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, কলেজের অভ্যন্তরীণ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে কোচিং ক্লাস বণ্টনের বৈষম্য নিয়ে প্রশ্ন তোলায় তাকে প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে। স্থানীয় জনগণের ত্যাগের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে অনিয়ম, অস্বচ্ছতা এবং একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে কলেজের সামগ্রিক শিক্ষা ও প্রশাসনিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে এবং এর নেতিবাচক প্রভাবে শিক্ষার্থী ভর্তির হারও আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষিকা হাসিনা হাসনাত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করা হোক এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হোক। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে শিক্ষা খাতে সুশাসন ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার যে অঙ্গীকার রয়েছে, সেই প্রেক্ষাপটে তিনি এই অন্যায়ের প্রতিকার দাবি করেন।

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে আলহাজ্ব জামসেদ-আছিয়া মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলী আহমদ দাবি করেন যে, ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে কলেজে গ্রুপিং এবং স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ ছিল। এ রকম অজুহাতে চাকরিচ্যুত করা আইনসম্মত কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, কলেজটি নতুন এবং মূলত খণ্ডকালীন শিক্ষকদের মাধ্যমেই পরিচালিত হচ্ছে; তাই এখানে নিয়োগ ও যোগদানের প্রক্রিয়াটি পুরোপুরি আনুষ্ঠানিক নয়।

Advertisement
বিজ্ঞাপন
0%
0%
0%
0%