AdvertisementAdvertisement

বেরোবিতে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির ঘিরে থমথমে পরিস্থিতি বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ও উত্তেজনার জেরে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সোমবার রাতে দুই সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হওয়ার পর থেকে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

মঙ্গলবার বিকেল থেকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে ছাত্রদল ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে রংপুর মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জহির আলম নয়ন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ইমরান হোসেন, সদস্য সচিব নূর হাসান সুমন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জাকারিয়া ইসলাম জিম, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শরীফ নেওয়াজ জোহা, সদস্য সচিব আফতাবুজ্জামান সুজনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ মিছিল ও বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

শিক্ষাঙ্গনের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. ফেরদৌস রহমান স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অতিথি ও দর্শনার্থীসহ সব ধরনের বহিরাগতদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মোটরসাইকেল, রিকশা ও ব্যক্তিগত গাড়িচালিত যানবাহনের প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন থেকে দুই সংগঠনের নেতাদের সাথে আলোচনা করা হয়েছে এবং যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সোমবার রাতের সংঘাত ও পরবর্তী কর্মসূচির জেরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সার্বিক পরিস্থিতির ওপর কড়া নজরদারি বজায় রাখছে। ক্যাম্পাসের এমন অস্থিরতায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা দ্রুত স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।

Advertisement
বিজ্ঞাপন
0%
0%
0%
0%