মেজর তোফায়েল মুহাম্মদ শহীদের ৬৮তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত

দেশ মাতৃকার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অসামান্য বীরত্ব ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ মেজর তোফাইল মোহাম্মদ শহীদের ৬৮তম শাহাদাতবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়েছে। পাকিস্তানের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব ‘নিশান-ই-হায়দার’ প্রাপ্ত এই মহান বীরের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শনিবার সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে বিশেষ আয়োজন করা হয়।
পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল নাভিদ আশরাফ এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল জহির আহমেদ বাবর সিধু এই সাহসী যোদ্ধার অসামান্য ত্যাগের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেছেন। পাকিস্তানর সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা জাতির এই বীর সন্তানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
সামরিক অভিযানে অকুতোভয় নেতৃত্বের অনন্য নজির স্থাপন করেছিলেন মেজর তোফাইল মোহাম্মদ শহীদ। গুরুত্বপূর্ণ এক সামরিক অভিযান পরিচালনার সময় তিনি মারাত্মকভাবে আহত হওয়া সত্ত্বেও দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত হননি। নিজের জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে সেনাদের নেতৃত্ব দিয়ে মিশন সফলভাবে সম্পন্ন করেছিলেন, যা আজও দেশপ্রেমিকদের জন্য এক অনুপ্রেরণার উৎস।
পাকিস্তানের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান ‘নিশান-ই-হায়দার’ প্রাপ্ত এই বীরের আত্মদানকে জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রাখবে। একই সঙ্গে পাকিস্তানর সশস্ত্র বাহিনী ও সর্বস্তরের জনগণ দেশের সুরক্ষায় প্রাণ উৎসর্গকারী সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে। তাদের অতুলনীয় দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগ আগামী প্রজন্মের কাছে দেশসেবার এক স্থায়ী প্রতীক হয়ে থাকবে।
তথ্যসূত্র: দুনিয়া নিউজ
