AdvertisementAdvertisement

দেশভাগের স্মৃতি ও আত্মত্যাগ স্মরণে রাজ্যজুড়ে পালিত হবে দেশভাগ স্মরণ দিবস

১৯৪৭ সালের দেশভাগের নির্মম ইতিহাস, ভুক্তভোগী মানুষের অপরিসীম যন্ত্রণা এবং তাঁদের ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার আগামী ১৩ ও ১৪ আগস্ট রাজ্যজুড়ে ‘দেশভাগ বিভীষিকা স্মরণ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকে নবান্ন থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি সচিব ড. সৌমিত্র মোহন সংশ্লিষ্ট সব জেলার জেলা শাসকদের কাছে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাঠিয়েছেন।

দেশভাগের চরম বেদনাদায়ক দিনগুলো এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের আত্মত্যাগের স্মৃতি অম্লান রাখতে জেলা প্রশাসনগুলোকে উপযুক্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে বলা হয়েছে। স্থানীয় অংশীজন ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরগুলোর সাথে সমন্বয় করে প্রতিটি জেলায় মূলত তিনটি প্রধান কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে আগামী ১৪ আগস্ট সন্ধ্যায় জেলা সদরগুলোতে আয়োজিত হবে শোকাবহ মোমবাতি মিছিল। এই মিছিলে সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সর্বস্তরের মানুষকে যুক্ত করার নির্দেশনা রয়েছে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

পাশাপাশি, আগামী ১৩ ও ১৪ আগস্ট দেশভাগের ইতিহাস, মানবিক বিপর্যয় এবং তৎকালীন দুর্লভ নথিপত্র ও ছবি নিয়ে বিশেষ প্রদর্শনী আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারের নির্দেশনায় স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, স্কুলপড়ুয়াদের এই প্রদর্শনীতে নিয়ে গিয়ে ইতিহাসের সেই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে হবে। এছাড়া কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সরবরাহকৃত তথ্যচিত্র প্রতিটি জেলায় প্রদর্শনের ব্যবস্থা করতে হবে।

এই কর্মসূচিগুলো সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের জন্য রাজ্য সরকার প্রতিটি জেলা প্রশাসনকে ৩০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দিয়েছে। জেলা শাসকদের নিজস্ব এলাকা ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সাথে আলোচনা করে যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিহাসের সেই বেদনাদায়ক অধ্যায়কে জনমানসে গভীরভাবে পৌঁছে দেওয়া এবং দেশভাগের শিকার মানুষদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছে নবান্ন।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস

0%
0%
0%
0%