মমতার দিল্লি সফরের পদধ্বনিতে ইস্তফা ধর্মেন্দ্র প্রধানের, পিছু হঠল সিজেপি

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকা বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনার মধ্যেই আকস্মিক পদত্যাগ করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। সিজেপির উত্থাপিত প্রথম দাবি মেনে মন্ত্রীর এই পদত্যাগের পাশাপাশি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার আন্দোলনকারীদের বাকি দুটি দাবিও মেনে নেওয়ায় দিল্লির যন্তর মন্তরে চলমান অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিয়েছে দলটি। এই রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আবহে ঘাসফুল শিবিরের নেত্রী উপাসনা চৌধুরী দাবি করেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরের ঘোষণার কারণেই তড়িঘড়ি মন্ত্রীর পদত্যাগের এই ঘটনা ঘটেছে।
টিভি নাইন বাংলার সাথে এক সাক্ষাৎকারে উপাসনা চৌধুরী আরও দাবি করেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি যাত্রার খবর জানাজানি হওয়ার পরপরই চাপে পড়ে ধর্মেন্দ্র প্রধানের এই ইস্তফা। তিনি মন্তব্য করেন, তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী যদি পাঁচ দিন আগেই নিজের সফরের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনতেন, তবে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের ঘটনাটি আরও আগেই ঘটতো। উপাসনার মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সশরীরে উপস্থিতি নিশ্চিত হলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার আরও বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাকে পদ ছাড়তে হতো।
এদিকে, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ভাষ্যমতে, সিজেপি তাদের আন্দোলন কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেওয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর স্থগিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, শনিবার রাতে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে টেলিফোনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে কথা বলেছেন। চলমান আন্দোলনে নৈতিক সমর্থন জোগানোর জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বলেও জানা গেছে।
তথ্যসূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস