AdvertisementAdvertisement

রাজ্যজুড়ে বর্ষার দাপট অব্যাহত, উত্তরবঙ্গে লাল সতর্কতা ও দক্ষিণে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উত্তর থেকে দক্ষিণ পর্যন্ত সর্বত্রই শুরু হয়েছে বৃষ্টির দাপট। রবিবার দুপুরে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোতে মুষলধারে বৃষ্টির সঙ্গে বইছে দমকা হাওয়া, যা জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়ে আনলেও প্রতিকূল পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একাধিক সিস্টেমের প্রভাবে জলীয় বাষ্পের ব্যাপক প্রবেশ রাজ্যজুড়ে বৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে।

আলিফপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রবিবার দক্ষিণবঙ্গের পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলায় ভারী বর্ষণ এবং ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড়ের আশঙ্কায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কলকাতা ও তৎসংলগ্ন এলাকাতেও একই সতর্কতা বজায় রয়েছে। এদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তবে বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৬৭ থেকে ৯৮ শতাংশের মধ্যে থাকায় অস্বস্তি অব্যাহত রয়েছে। আগামী সোমবার ও মঙ্গলবার বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমলেও বুধবার থেকে ফের দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি ক্রমাগত উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে, যেখানে বর্ষা রীতিমতো জাঁকিয়ে বসেছে। রবিবার আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি জেলায় অতি প্রবল ভারী বৃষ্টির আশঙ্কায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে, যেখানে ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহার জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাসে কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া অফিস। মালদহ ও দুই দিনাজপুরেও বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

চলতি সপ্তাহজুড়ে উত্তরবঙ্গের পার্বত্য অঞ্চল ও সিকিম সংলগ্ন এলাকায় দুর্যোগের প্রবল সম্ভাবনা থাকছে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত উত্তরের পাঁচ জেলায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা বলবৎ থাকবে। উপ-হিমালয় সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন অংশে ভারি থেকে অত্যন্ত ভারী বৃষ্টির ধারা অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। রাজ্যজুড়ে এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনসাধারণকে সতর্ক থাকতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস

0%
0%
0%
0%