Xiaomi Redmi 15c

Price: 13,999 Official
6GB/128GB ৳13,999
8GB/256GB ৳17,499

General & Launch

Model Xiaomi Redmi 15c
Status Available
Release Date November 2025
Warranty Official Warranty
Made In Bangladesh

Network

Network 4G
SIM Dual SIM

Body

Dimensions 171.9 x 77.8 x 8.2 mm
Weight 211g
Build Glass front, Plastic back
Colors Midnight Black, Sage Green, Dreamy Purple

Display

Type & Size IPS LCD, 6.88 inches
Resolution 720 x 1640 pixels
Refresh Rate 120Hz
Protection Corning Gorilla Glass

Platform

OS Android 15
Chipset Helio G81 Ultra
CPU Octa-core
GPU Mali-G52 MC2

Memory

RAM 6GB / 8GB
Storage 128GB / 256GB
Card Slot Yes

Camera

Main Camera 50 MP + Auxiliary Lens
Features LED flash, HDR
Video 1080p@30fps
Selfie Camera 13 MP
Selfie Video 1080p@30fps

Sound

Loudspeaker Yes
3.5mm Jack Yes

Connectivity

WLAN Wi-Fi 5
Bluetooth v5.4
GPS Yes
NFC No
Radio Yes
USB Type-C 2.0

Battery

Capacity Li-Po 5160 mAh
Charging 18W Wired

Features

Sensors Fingerprint (Side), Accelerometer
Xiaomi Redmi 15c সুবিধা
  • ৬.৮৮ ইঞ্চির বিশাল ডিসপ্লে, যা মুভি বা নাটক দেখার জন্য চমৎকার।
  • বাজেট ফোনে ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট, যা ইন্টারফেসকে স্মুথ রাখে।
  • ৫১৬০ এমএএইচ ব্যাটারি, যা সাধারণ ৫০০০ এমএএইচ এর চেয়ে সামান্য বেশি ব্যাকআপ দেয়।
  • প্রিমিয়াম গ্লাস-লাইক ফিনিশিং এবং স্টাইলিশ বৃত্তাকার ক্যামেরা মডিউল।
  • ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক এবং ডেডিকেটেড মেমোরি কার্ড স্লট।
  • লেটেস্ট অ্যান্ড্রয়েড ১৫ এবং হাইপারওএস (HyperOS) এর অভিজ্ঞতা।
Xiaomi Redmi 15c অসুবিধা
  • ডিসপ্লের রেজোলিউশন মাত্র ৭২০পি (HD+), এত বড় স্ক্রিনে ১০৮০পি হলে ভালো হতো।
  • ১৮ ওয়াটের চার্জিং স্পিড বেশ ধীরগতির, ফুল চার্জ হতে অনেক সময় নেয়।
  • হেলিও জি৮১ আল্ট্রা চিপসেটটি ভারী গেমিংয়ের জন্য মোটেও উপযুক্ত নয়।
  • ভার্চুয়াল প্রক্সিমিটি সেন্সর থাকায় কলের সময় মাঝে মাঝে ডিসপ্লে অন হয়ে যাওয়ার সমস্যা হতে পারে।
  • প্রচুর ব্লোটওয়্যার বা অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ প্রি-ইনস্টল করা থাকে।
শেয়ার করুন

বিস্তারিত

Xiaomi Redmi 15c market price in Bangladesh is BDT 13,999 (Official). শাওমির ‘সি’ (c) সিরিজ বরাবরই বাংলাদেশের এন্ট্রি-লেভেল স্মার্টফোন বাজারের অন্যতম বড় খেলোয়াড়। Redmi 13c এবং 14c এর ব্যাপক জনপ্রিয়তার পর শাওমি তাদের ১৫তম সংস্করণেও একই ফর্মুলা বজায় রেখেছে—”কম দামে সুন্দর দেখতে বড় ফোন”।

Advertisement

মূলত যারা ১০ থেকে 17 হাজার টাকার মধ্যে একটি স্টাইলিশ ফোন খুঁজছেন, তাদের টার্গেট করেই এই ডিভাইসটি বাজারে ছাড়া হয়েছে। আজকের পর্যালোচনায় আমরা দেখব ২০২৫ সালের শেষ দিকে এসে এই ফোনটি তার পূর্বসূরিদের মান বজায় রাখতে পেরেছে কি না।

ডিজাইন এবং বিল্ড কোয়ালিটি Redmi 15c এর প্রধান আকর্ষণ হলো এর লুকস। ফোনটি প্লাস্টিক বডির হলেও এর পেছনের ফিনিশিং এতটাই চকচকে যে দূর থেকে কাঁচের মতো মনে হয়। বিশেষ করে ‘ড্রিমি পার্পল’ এবং ‘সেজ গ্রিন’ কালার দুটিতে আলোর প্রতিফলনে দারুণ এক আবহ তৈরি হয়। পেছনের ক্যামেরা মডিউলটি বেশ বড় এবং বৃত্তাকার, যা বর্তমান ফ্ল্যাগশিপ ফোনের ট্রেন্ডকে অনুসরণ করে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

তবে ফোনটি আকারে বেশ বড়। ৬.৮৮ ইঞ্চির ডিসপ্লে হওয়ার কারণে এটি লম্বায় প্রায় ১৭২ মিমি এবং ওজন ২১১ গ্রাম। যাদের হাত ছোট তাদের জন্য এক হাতে এই ফোন ব্যবহার করা বেশ কষ্টসাধ্য হবে। তবে বড় ফোন হওয়ার কারণে হাতে ধরলে বেশ মজবুত বা সলিড ফিল পাওয়া যায়। সাইড মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরটি পাওয়ার বাটনের সাথেই দেওয়া হয়েছে, যা বেশ ফাস্ট কাজ করে।

ডিসপ্লে এবং ভিজ্যুয়াল এক্সপেরিয়েন্স এই ফোনের ইউএসপি (USP) হলো এর বিশাল ডিসপ্লে। এতে ব্যবহার করা হয়েছে ৬.৮৮ ইঞ্চির আইপিএস এলসিডি প্যানেল। এই বাজেটে সাধারণত ৬.৫ বা ৬.৬ ইঞ্চির ডিসপ্লে দেখা যায়, সেখানে শাওমি সিনেমা প্রেমীদের জন্য বড় স্ক্রিনের ব্যবস্থা করেছে। ভালো দিক হলো এতে ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট রয়েছে। ফলে সাধারণ স্ক্রলিং, ফেসবুকিং বা মেনু সোয়াইপ করার সময় ফোনটি বেশ মাখন বা স্মুথ মনে হয়।

তবে মুদ্রার উল্টো পিঠ হলো এর রেজোলিউশন। এত বড় স্ক্রিনে মাত্র ৭২০ x ১৬৪০ পিক্সেল (HD+) রেজোলিউশন থাকার কারণে পিক্সেল ডেনসিটি বেশ কম। আপনি যদি খুব কাছ থেকে লেখা পড়েন বা হাই কোয়ালিটির ভিডিও দেখেন, তবে কিছুটা শার্পনেসের অভাব বোধ করবেন। তবে সাধারণ দূরত্বে ইউটিউব বা নেটফ্লিক্স দেখার জন্য ডিসপ্লের কালার এবং ব্রাইটনেস চলনসই। ৬০০ নিট পর্যন্ত ব্রাইটনেস থাকায় ইনডোরে সমস্যা না হলেও কড়া রোদে স্ক্রিন দেখতে সামান্য বেগ পেতে হতে পারে।

পারফরম্যান্স এবং হার্ডওয়্যার পারফরম্যান্সের দিক থেকে Redmi 15c খুব একটা আহামরি কিছু নয়। এতে ব্যবহার করা হয়েছে মিডিয়াটেক হেলিও জি৮১ আল্ট্রা (Helio G81 Ultra) প্রসেসর। নাম শুনে নতুন মনে হলেও এটি মূলত পুরনো জি৮০ বা জি৮৫ সিরিজেরই একটি রি-ব্র্যান্ডেড ভার্সন। দৈনন্দিন কাজ যেমন—কল করা, হোয়াটসঅ্যাপ, টিকটক বা ফেসবুক ব্যবহারের জন্য এটি যথেষ্ট। 6 জিবি বা 8 জিবি র‍্যাম ভেরিয়েন্টে ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে এবং ভার্চুয়াল র‍্যাম বাড়ানোর সুবিধাও রয়েছে।

কিন্তু আপনি যদি গেমার হন, তবে এই ফোনটি আপনার জন্য নয়। ফ্রি-ফায়ার বা পাবজি লো বা মিডিয়াম সেটিংসে খেলা সম্ভব হলেও, বেশিক্ষণ খেললে ফ্রেম ড্রপ এবং ল্যাগ দেখা দেবে। এটি মূলত সাধারণ মাল্টিটাস্কিং এবং মিডিয়া কনজাম্পশনের জন্য তৈরি করা হয়েছে। হাইপারওএস (HyperOS) থাকার কারণে সফটওয়্যার এক্সপেরিয়েন্স আগের মিউআই (MIUI) এর চেয়ে কিছুটা হালকা মনে হয়, তবে অ্যাপ ওপেনিং স্পিড খুব একটা দ্রুত নয়।

ক্যামেরা সেকশন পেছনে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের মেইন ক্যামেরা এবং একটি নামমাত্র অক্সিলিয়ারি লেন্স। দিনের পর্যাপ্ত আলোতে ৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরাটি দাম অনুযায়ী বেশ ভালো ছবি তোলে। শাওমির কালার সায়েন্স কিছুটা স্যাচুরেটেড, তাই ছবিগুলো দেখতে বেশ উজ্জ্বল এবং কালারফুল লাগে, যা এডিট ছাড়াই সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার মতো। এইচডিআর মোড আকাশের ডিটেইলস ধরে রাখতে মোটামুটি সক্ষম।

রাতের বেলা বা কম আলোতে ছবির মান কমে যায়। নাইট মোড ব্যবহার করলে ছবিতে কিছুটা আলো বাড়লেও নয়েজ স্পষ্ট বোঝা যায়। সামনে রয়েছে ১৩ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা। গত প্রজন্মের তুলনায় সেলফি ক্যামেরায় কিছুটা উন্নতি হয়েছে। দিনের আলোতে স্কিন টোন ন্যাচারাল থাকে এবং বিউটি মোড ব্যবহার করে মোটামুটি ভালো পোর্ট্রেট তোলা সম্ভব। ভিডিও রেকর্ডিংয়ের ক্ষেত্রে ১০৮০পি ৩০ এফপিএস পর্যন্ত রেকর্ড করা যায়, তবে কোনো স্ট্যাবিলাইজেশন না থাকায় ভিডিও কিছুটা কাঁপাকাঁপি করে।

ব্যাটারি এবং চার্জিং Redmi 15c এর একটি শক্তিশালী দিক হলো এর ব্যাটারি। এতে ৫১৬০ এমএএইচ (5160 mAh) ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রসেসরটি খুব বেশি শক্তিশালী না হওয়ায় এবং ডিসপ্লে রেজোলিউশন কম হওয়ায় এই ব্যাটারি অনায়াসেই দেড় থেকে দুই দিন ব্যাকআপ দিতে পারে। যারা প্রচুর ভিডিও দেখেন, তাদের জন্যও সারাদিন চার্জ নিয়ে চিন্তা করতে হবে না।

তবে চার্জিং সেকশনে শাওমি এখনো ১৮ ওয়াটেই আটকে আছে। বক্সে চার্জার দেওয়া থাকলেও (রিজিয়ন ভেদে), এই বিশাল ব্যাটারি পূর্ণ চার্জ করতে প্রায় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিটের মতো সময় লাগে। যেখানে প্রতিযোগীরা ৩৩ ওয়াট চার্জিং দিচ্ছে, সেখানে ১৮ ওয়াট ২০২৫ সালে এসে বেশ হতাশাজনক। তবে টাইপ-সি পোর্ট থাকায় আধুনিক সব এক্সেসরিজ ব্যবহার করা যাবে।

সফটওয়্যার এবং অন্যান্য ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড ১৫ এর ওপর ভিত্তি করে শাওমির নতুন হাইপারওএস-এ রান করে। ইন্টারফেসটি দেখতে সুন্দর এবং আধুনিক। তবে শাওমির পুরনো রোগ—’বিজ্ঞাপন এবং ব্লোটওয়্যার’ এখানেও বিদ্যমান। ফোন সেটআপ করার সময় এবং অ্যাপ ইনস্টল করার সময় প্রচুর অপ্রয়োজনীয় অ্যাপের সাজেশন আসে। ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক এবং এফএম রেডিও থাকার কারণে যারা গান শুনতে পছন্দ করেন তাদের জন্য সুবিধা হবে। স্পিকারের সাউন্ড যথেষ্ট লাউড, তবে স্টেরিও স্পিকার নেই।

সব মিলিয়ে, Xiaomi Redmi 15c তাদের জন্যই পারফেক্ট যারা ১৪ হাজার টাকার নিচে একটি বড় স্ক্রিন, ভালো ব্যাটারি এবং সুন্দর ডিজাইনের ফোন খুঁজছেন। এটি মূলত ছাত্র-ছাত্রী, বয়স্ক বাবা-মা কিংবা যারা সেকেন্ডারি ফোন হিসেবে একটি নির্ভরযোগ্য ডিভাইস চান, তাদের জন্য।

তবে আপনি যদি পারফরম্যান্স বা গেমিং পছন্দ করেন কিংবা দ্রুত চার্জিং আপনার জন্য জরুরি হয়, তবে এই বাজেটে অন্য অপশন দেখা উচিত। শাওমি এখানে পারফরম্যান্সের চেয়ে ডিজাইন এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যবহারের ওপর বেশি জোর দিয়েছে। বাজেটের মধ্যে ‘বড় ধামাকা’ হিসেবে Redmi 15c সাধারণ গ্রাহকদের চাহিদা মেটাতে অনেকটাই সক্ষম।

Xiaomi Redmi 15c আপনার কাছে কেমন লেগেছে?

গড় রেটিং: 0 / 5 (মোট 0 জন রেটিং করেছেন)
Design:
No ratings
Display:
No ratings
Performance:
No ratings
Camera:
No ratings
Battery:
No ratings
Features:
No ratings
Connectivity:
No ratings
Usability:
No ratings
Advertisement