মন্ত্রিসভায় রদবদল ও সম্প্রসারণের উদ্যোগ সাচিং প্রু জেরীসহ নতুনদের অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল ও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনা এবং গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নতুন মুখ নিয়ে আসার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের পরপরই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। বঙ্গভবনে এই শপথ অনুষ্ঠানের সব আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী। তাকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব প্রদানের জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য ড. আবদুল মঈন খানকেও মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি পদে আসীন হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছেড়ে দেওয়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের গুরুদায়িত্ব ড. মঈন খানের কাঁধে অর্পণ করা হতে পারে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।
নতুন এই মন্ত্রিসভায় বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের পাশাপাশি জোটের শরিক দলগুলোর প্রতিনিধিদেরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির সম্ভাব্য তালিকায় বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থের নাম জোরেশোরে আলোচিত হচ্ছে। একই সঙ্গে গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনকেও মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
মন্ত্রিসভার এই রদবদল ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে সরকারের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে নতুন কৌশল ও অভিজ্ঞতার সমন্বয় ঘটানোর প্রয়াস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, বর্তমান সরকারের মেয়াদে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বভার নতুনদের হাতে তুলে দেওয়ার মাধ্যমে প্রশাসনিক গতিশীলতা নিশ্চিত করাই এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সরকারের নতুন যাত্রা এবং গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলোতে রদবদল নিয়ে চলমান সব গুঞ্জনের অবসান ঘটতে যাচ্ছে।
