Advertisement

বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট দ্রুত নিরসনের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

দেশজুড়ে চলমান তীব্র বিদ্যুৎ সংকট ও লোডশেডিংয়ের কারণে সৃষ্ট জনদুর্ভোগের জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, জ্বালানি খাতের এই নাজুক পরিস্থিতির দ্রুত উত্তরণ ঘটবে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসবে। শনিবার ১৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক দুস্থ সহায়তা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে পরিকল্পিতভাবে দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো ধ্বংস করা হয়েছিল। মেগা প্রজেক্টের আড়ালে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়েছে এবং দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে প্রতিবেশী একটি দেশের ওপর পরনির্ভরশীল করে তোলা হয়েছিল, যা বর্তমান সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে।

বিজ্ঞাপন

এদিকে তীব্র দাবদাহের মধ্যে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ অপ্রতুল হওয়ায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন অবস্থায় থাকছেন, যার বিরূপ প্রভাব পড়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্য ও জরুরি চিকিৎসাসেবার ওপর। লোডশেডিংকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য জনরোষ ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ সংকটের আঁচ লেগেছে দেশের উৎপাদনমুখী খাতেও। কলকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন উদ্যোক্তারা। সেচযন্ত্র সচল রাখতে না পারায় ফসল উৎপাদন নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে কৃষকদের। একই সঙ্গে পোলট্রি ও মৎস্য খামারে অক্সিজেন সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় মুরগি ও মাছের ব্যাপক মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে, যা সামগ্রিক কৃষি অর্থনীতিতে বড় ধরনের ঝুঁকির বার্তা দিচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
0%
0%
0%
0%