Advertisement

প্রথমবারের মতো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: শরীয়তপুরের তিন আসনেই ধানের শীষের একচ্ছত্র জয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর জেলার তিনটি সংসদীয় আসনের বেসরকারি ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, জেলার শরীয়তপুর-১, শরীয়তপুর-২ ও শরীয়তপুর-৩—এই তিনটি আসনেই বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয় অর্জন করেছেন। ভোট গণনা শেষে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

জেলার তিনটি আসনেই ধানের শীষের প্রার্থীদের স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে থাকা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিজ্ঞাপন

শরীয়তপুর-১ আসন

শরীয়তপুর-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলাম ধানের শীষ প্রতীকে ৭৭ হাজার ৩৯৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা জালালুদ্দিন আহমেদ রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৬২ হাজার ৭১৭ ভোট।

এই আসনে দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৬৮১। শুরু থেকেই ধানের শীষের প্রার্থী এগিয়ে ছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ভোট গণনার শেষ পর্যায়েও সেই ধারা অব্যাহত থাকে এবং শেষ পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন সাঈদ আহমেদ আসলাম।

বিজ্ঞাপন

শরীয়তপুর-২ আসন

শরীয়তপুর-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শফিকুর রহমান কিরণ পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৮১৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মাহমুদ হোসেন বাকাউল পেয়েছেন ৭০ হাজার ৮৯২ ভোট।

এ আসনে বিজয়ীর সঙ্গে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর ভোটের ব্যবধান ৫৮ হাজার ৯২২। বড় ব্যবধানে জয়লাভ করায় শরীয়তপুর-২ আসনটি বিএনপির জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

শরীয়তপুর-৩ আসন

শরীয়তপুর-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু ১ লাখ ৭ হাজার ৫১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ আজাহারুল ইসলাম পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৬৮৪ ভোট।

এ আসনে দুই প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান ৩৭ হাজার ৮৩২। ভোট গণনার শুরু থেকেই ধানের শীষের প্রার্থী এগিয়ে ছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত সেই ব্যবধান বজায় রেখেই জয় নিশ্চিত করেন তিনি।

জেলার তিনটি আসনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রতিটি আসনেই ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিজয় অর্জন করেছেন। বেসরকারি ফলাফল ঘোষণার পরপরই বিভিন্ন এলাকায় বিজয়ী প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়।

তবে নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশের মধ্য দিয়েই চূড়ান্ত ফলাফল কার্যকর হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

0%
0%
0%
0%