AdvertisementAdvertisement

বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট নিরসনে সর্বোচ্চ চেষ্টার আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর

দেশের বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট নিরসনে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে সরকার। বুধবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, সাময়িক এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে, যা মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, বুধবার সন্ধ্যা নাগাদ দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সামিট গ্রুপের এলএনজি টার্মিনালে কার্গো খালাস করা বর্তমানে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালটিও আংশিক সক্ষমতায় পরিচালিত হচ্ছে। এই টার্মিনালকে পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে প্রায় ৭২ ঘণ্টার জন্য কার্যক্রম বন্ধ রাখার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে, যা সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। জনদুর্ভোগ সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখার লক্ষ্যে এ বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে জনদুর্ভোগের বিষয়টি স্বীকার করে প্রতিমন্ত্রী জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে। সংকট মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মালয়েশিয়ার সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং সেখান থেকে অন্তত এক কার্গো এলএনজি পাওয়ার বিষয়ে সরকার আশাবাদী। এছাড়া ইউএস-বাংলাদেশ চেম্বারের কাছেও এলএনজি সরবরাহের জন্য সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

পূর্ববর্তী সরকারগুলোর নীতিগত ব্যর্থতার সমালোচনা করে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের চেয়ে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কারণেই আজ দেশ এই সংকটের মুখোমুখি। বর্তমান সরকার সংকট নিরসনে হাতে থাকা সব ধরনের বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছে। তবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগবে, তা সুনির্দিষ্টভাবে বলা সম্ভব নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সম্পর্কিত- বিদ্যুৎ সংকট
0%
0%
0%
0%