AdvertisementAdvertisement

নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেলে দেশে ফিরে বিদায়ী টেস্ট খেলতে চান সাকিব আল হাসান

২০২৪ সালের জুলাই মাসে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট গণঅভ্যুত্থানে দীর্ঘ ১৭ বছরের ক্ষমতার পালাবদলের পর থেকেই দেশের বাইরে অবস্থান করছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মুখে ৫ আগস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নিলে দেশের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে যায়। এই পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তা ঝুঁকি ও আইনি জটিলতার কারণে সাকিব আল হাসান দীর্ঘ সময় ধরে দেশে ফিরতে পারছেন না। গত অক্টোবরে দেশের মাটিতে বিদায়ী টেস্ট খেলার ইচ্ছা পোষণ করে দুবাই পর্যন্ত পৌঁছালেও শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তার কারণে তাকে সফর বাতিল করে ফিরে যেতে হয়।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ক্রিকেট থেকে আনুষ্ঠানিক অবসরের আগে দেশের মাটিতে শেষবারের মতো জার্সি গায়ে জড়াতে মরিয়া সাকিব। তিনি জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার যদি তার নিরাপত্তার পূর্ণ নিশ্চয়তা প্রদান করে, তবে তিনি দেশে ফিরে সকল আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত ৩৯ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার শুধু বিদায়ী সিরিজ নয়, সুযোগ পেলে ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখছেন। তবে জাতীয় দলে তার ফেরা এবং অংশগ্রহণ সম্পূর্ণভাবে নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার ওপর নির্ভরশীল।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে ভারতের দিল্লিতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার গুঞ্জনের রেশ ধরে সাকিব জানিয়েছেন, নিজের একক প্রত্যাবর্তন সম্ভব না হলে তিনি শেখ হাসিনার সঙ্গেই দেশে ফিরতে আগ্রহী। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, রাজনৈতিক দলটির সিদ্ধান্তের প্রতি তিনি অনুগত এবং তাদের নির্দেশনা অনুযায়ীই পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

সম্প্রতি দিল্লিতে শেখ হাসিনার একটি ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করা নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়লেও সাকিব আল হাসান তা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, ওই অনুষ্ঠানে তিনি কেবল দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সার্বিক অগ্রগতির পক্ষেই বক্তব্য রেখেছেন। এখন দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আছেন এই ক্রিকেটার, যার ওপরই নির্ভর করছে তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের চূড়ান্ত অধ্যায়।

Advertisement
বিজ্ঞাপন
0%
0%
0%
0%