Advertisement

দাদাগিরির মঞ্চে রাজনীতির উত্তাপ ভুলে বিধায়কদের আড্ডায় নতুন দাদা দেব

বাংলার জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘দাদাগিরি আনলিমিটেড সিজন ১১’-এর মঞ্চে এবার রাজনীতির উত্তাপ আর বিনোদনের ঝলক মিলেমিশে একাকার। সদ্য নির্বাচিত বিধায়কদের নিয়ে আয়োজিত এই বিশেষ পর্বে হাজির হয়েছেন সজল ঘোষ, কুণাল ঘোষ, মদন মিত্র, কৌস্তভ বাগচি, নওশাদ সিদ্দিকি এবং মোস্তাফিজুর রহমানের মতো হেভিওয়েট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা। রাজনীতির ময়দানে যারা একে অপরের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বী, সেই সব তারকা বিধায়কদের এক ছাদের নিচে দেখার সুযোগ পেয়ে দর্শকদের মধ্যে উৎসাহ এখন তুঙ্গে। এই পর্বের ফাইনাল প্রোমো ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল, যা ঘিরে বিনোদনপ্রেমীদের উত্তজনা তুঙ্গে।

শুটিংয়ের নেপথ্যের দৃশ্য অর্থাৎ বিটিএস ভিডিওতেও তারকাদের অন্য রূপ দেখে মুগ্ধ নেটিজেনরা। বিশেষ করে বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষের ব্যক্তিগত মুহূর্ত নিয়ে চর্চা চলছে জোরদার। ক্যামেরার সামনেই ভিডিও কলে স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় তাকে। সজল জানান, শুরুতে দাদাগিরির মঞ্চে আসার বিষয়ে তার স্ত্রী একেবারেই রাজি ছিলেন না। তবে পুরস্কার মূল্য হিসেবে পঞ্চাশ হাজার টাকার লোভনীয় অংকের কথা শুনতেই নাকি স্ত্রী মত দিয়েছেন। সজলের অকপট স্বীকারোক্তি, পুরস্কার না জিতলে বাড়িতে ঢোকা নিষেধ—এ কথা শুনেই হাসির রোল ওঠে সেটে।

বিজ্ঞাপন

রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের এই আড্ডায় কথার পিঠে কথা আর পাল্টা উত্তরের লড়াইয়ে যখন পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার উপক্রম, তখন রাশ টানেন সঞ্চালক দেব। রাজনীতির মাঠের বিতণ্ডা দেখে দেবকে রসিকতা করে বলতে শোনা যায়, এটি বিধানসভা নয়, এটি দাদাগিরি। এখানে আমার কথাই শেষ কথা। তার এমন মজাদার উপস্থিতিতেই রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে হাসিখুশিতে মেতে ওঠেন উপস্থিত অতিথিরা।

উল্লেখ্য যে, দীর্ঘদিন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঞ্চালনায় দাদাগিরি এক অন্য উচ্চতায় পৌঁছেছিল। মহারাজের প্রস্থানের পর নতুন দাদা হিসেবে দেবের আগমন দর্শকদের জন্য এক নতুন চমক। দেব জানিয়েছেন, এই দায়িত্ব পাওয়ার পরই তিনি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। তবে নিজের কাজের ধারা বজায় রাখতে তিনি সৌরভের সঞ্চালিত কোনো পর্ব দেখেননি। নিজস্ব শৈলী ও টিমওয়ার্কের ওপর ভর করেই বাংলার দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে চাইছেন এই তারকা। রাজনীতির কঠিন সমীকরণ ছাপিয়ে রুপালি পর্দার এই জমজমাট পর্বটি দেখার অপেক্ষায় এখন পুরো বাংলা।

বিজ্ঞাপন
0%
0%
0%
0%